/* */
   Wednesday,  Jun 20, 2018   11:44 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি : ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত

তারিখ: ২০১৬-০৪-০৬ ০১:২৭:৫৮  |  ২৭৭ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ক্যাসিনোগুলোর সম্পদ জব্দ করতে মামলা করতে যাচ্ছে ফিলিপাইনের মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ কর্তৃপক্ষ (এএমএলসি)।

 

আগামী সপ্তাহেই এ মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন এএমএলসির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়া বাকে-আবাদ। মঙ্গলবার অর্থ চুরির ঘটনা তদন্তে দায়িত্বরত সিনেটের ব্লু রিবন কমিটির শুনানিতে তিনি এ তথ্য জানান।

 

ফিলিপাইনের সামাজিক সংবাদমাধ্যম র‌্যাপলার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

 

জুলিয়া বাকে-আবাদ বলেন, ‘আমরা এর মধ্যেই এজাহারের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। আশা করছি আগামী সপ্তাহেই এই (বেসামরিক সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণ) মামলা দায়ের করতে পারব।’

 

ফিলিপাইনে বেসামরিক সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণ মামলায়, অবৈধ সম্পদ ব্যবহারের প্রমাণ পেলে সরকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে। তবে সম্পদের মালিকের আইনি লড়াইয়ের অধিকার থাকবে।  তাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে, তার সম্পদ বৈধ অর্থ থেকে এসেছে।

 

গত ফেব্রুয়ারি মাসে  নিউ ইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভ থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনের রিজাল কর্মাশিয়াল ব্যাংকে পাঠানো হয়। ব্যাংকের চারটি অ্যাকাউন্ট থেকে এ অর্থ পরবর্তীতে তুলে নেওয়া হয়। ফিলিপাইনের ইতিহাসে অর্থপাচারের সবচেয়ে বড় এ ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিনেটের ব্লু রিবন কমিটিকে। কমিটির শুনানিতে চীনা বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী কিম অং জানিয়েছেন, দুই চীনা ব্যক্তি এ ঘটনায় জড়িত। এই অর্থ ক্যাসিনো হয়ে ফিলিপাইনের বাইরে পাচার করা হয়েছে।

 

ব্লুমবেরি রিসোর্ট করপোরেশন পরিচালিত সোলাইরি ক্যাসিনোর প্রধান আইনি কর্মকর্তা সিলভেরিও বেন্নি তান গত ২৯ মার্চ সিনেটের শুনানিতে জানিয়েছিলেন,  সোলাইরির জুয়ার টেবিলে ১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন পেসো গিয়েছে। বিদেশি ক্যাসিনোর জাঙ্কেট অপারেটর ডিং ঝিজির নির্দেশনায় তার  জাঙ্কেট অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ১০ মার্চ তান জানিয়েছিলেন, সোলাইরির পক্ষ থেকে ডিংয়ের অ্যাকাউন্টের ২ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার আটকে দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তিনি আদালতের নির্দেশনার অপেক্ষা করছেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

 

এদিকে ৫৩২ মিলিয়ন পেসো খেলা হয়েছে মিডাস হোটেল ও ক্যাসিনোতে। মঙ্গলবার মিডাসের আইনজীবী ক্যাটিরিনা নিপোমুচিনো বলেছেন, ইস্টার্ন হাওয়াইয়ের সঙ্গে তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের পর কেবল ৫৩২ মিলিয়ন পেসো আমাদের ক্যাসিনোতে খেলা হয়েছে। জুয়ায় জিতে ১১১ মিলিয়ন পেসে তুলে নেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির •দেশের ইতিহাসে রংপুর সিটি নির্বাচন অন্যতম সেরা : ইডব্লিউজি •ফারমার্স ব্যাংক থেকে মহীউদ্দীন আলমগীরের পদত্যাগ বেসিক ব্যাংকের দুই সাবেক পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ •বাংলাদেশে ৮ লাখ ১৭ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে : আইওএম •রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দশ হাজার লেট্রিন নির্মাণ করে দিবে ইউনিসেফ •বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার খোয়াব কর্পূরের মতো দূর হয়ে যাবে : ওবায়দুল কাদের
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document