/* */
   Saturday,  Sep 22, 2018   10 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

মাগুরায় অপরাধ দমনে ভূমিকা রাখছে সিসি ক্যামেরা

তারিখ: ২০১৬-০৪-০৬ ০২:৪৯:৪২  |  ২৯৮ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

মাগুরার বিভিন্ন এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করায় অপরাধী শনাক্তকরণ কাজ সহজতর হয়েছে। সঙ্গত কারণে এলাকার অপরাধ প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে বলে উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা দাবি করেছেন।
পুলিশ সুপার এ কেএম এহসান উল্লাহ জানান, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য জেলার বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ জায়গায় সিসি ক্যামেরা বসানোর ফলে অপরাধীদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি কাজ করছে। এর ফলে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মারামারি, চাঁদাবাজি ছিনতাইসহ অন্যান্য অপরাধ অনেক কমে গেছে বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, সিসি ক্যামেরা বসানেরার বিষয়ে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, যা আইন-শৃংখলা রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে মাগুরা জেলার চারটি উপজেলার ৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামরা লাগানোর ফলে অপরাধীদের শনাক্ত করা সহজতর হচ্ছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন হাটবাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসি ক্যামেরা লাগানোর জন্য স্থানীয় স্বচ্ছল ব্যক্তিদেরকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
পুলিশের দেয়া তথ্য মতে, সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পর জনসাধারণ ইতোমধ্যেই এর সুফল পেতে শুরু করেছে। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে এ পর্যন্ত অন্ততঃপক্ষে ১২টি অপরাধমূলক ঘটনায় লিপ্তদেরকে সনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সিএনজি ছিতাইয়ের ঘটনায় চার জনকে আটক করাসহ অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এর পাশপাশি বিভিন্ন ঘটনায় অপরাধীদের শনাক্ত করে তাদের আটকের চেষ্টা চলেছে। এ কারণে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরার গুরুত্ব অনুধাবন করে ব্যবসায়ীসহ বাড়ির মালিকরা নিজেদের উদ্যোগেই ক্যামেরা লাগাচ্ছেন। এর ফলে অপরাধের মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসছে।
পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্র আরও জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন স্থানে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩শ’টিরও বেশি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এর মধ্যে জেলা শহরের ২৭টি জায়গায়, সদর উপজেলার ৬টি এলাকায় ৩৩টি, শ্রীপুর উপজেলার তিনটি এলাকায় ৩০ টি, মহাম্মদপুরের তিনটি স্থানে ৩৮টি এবং শালিখার দুটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ১৪টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এছাড়া গত দুই সপ্তাহে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্পটে আরো ৯০ টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে বলে পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। এতে করে একদিকে জনসাধারণ যেমন উপকৃত হচ্ছে তেমনি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অপরাধীদের আটক করে সহজেই আইনের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে বলে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা এ প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে দাবি করেছেন।
একটি ছিনতাই ঘটনার ভুক্তভোগী মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার জোকা গ্রামের সোহেল হোসেন জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে থেকে এক দুর্বৃত্ত তার মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে ওই দিনই মাগুরা সদর থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ কলেজের সামনে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তুহিন নামে ওই ছিনতাইকারিকে মোবাইলসহ আটক করতে সমর্থ হয়।
মাগুরা শহরের পারলা গ্রামের তাজুল ইসলাম জানান, শহরের নতুন বাজার এলাকা থেকে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে তাকে অজ্ঞান করে দুর্বৃত্তরা তার সিএনজি আটোরিক্সা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তিনি মাগুরা সদর থানায় অভিযোগ করলে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পুলিশ ৩ জন ছিনতাইকারিকে আটক করেছে। আটকদের দেয়া তথ্য অনুসারে তার সিএনজি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মাগুরা জেলা বণিক সমিতির আহবায়ক হুমায়ুন কবির রাজা বলেন, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানসহ জেলার বিভিন্ন বাজারে সিসি ক্যামেরা বসানোর ফলে ব্যবসায়ীরা চুরি ডাকাতিসহ অযাচিত বিভিন্ন ঘটনা থেকে রক্ষা পাচ্ছে। তারা এখন স্বাচ্ছন্দে ব্যবসা করছে। এছাড়া শহরের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন স্থানে মাস্তানি, ইভটিজিংসহ বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনাও অনেকাংশে কমে এসেছে বলে মনে করেন তিনি।
মাগুরা জেলা আইন শৃংখলা রক্ষা কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘মানুষের নিরাপত্তায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন কারায় এটি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এর সংখ্যা আরো বাড়ানো গেলে অপরাধী শনাক্ত করার পাশপাশি তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে এ পদক্ষেপ আরও বেশি ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।বাসস


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের দাম এত বেশী কেন? •মাত্র পাঁচ মিনিটে স্মার্ট ফোন চার্জ করা যাবে! •ফেসবুক ব্যবহারে সারা পৃথিবীতে দু'নম্বরে ঢাকা •এক হলো রবি-এয়ারটেল •বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নির্মাণের অর্ধেক কাজ সমাপ্ত. তারানা হালিম। •বিঘ্নিত হতে পারে ইন্টারনেট সেবা •পৌ‌নে ২ ঘণ্টা সময় দিলেন প্র‌তিমন্ত্রী তারানা হা‌লিম। •সিম নিবন্ধন, শেষ সময় ৩০ এপ্রিল রাত ১০টা তারানা হালিম
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document