/* */
   Wednesday,  Sep 19, 2018   03:50 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণে কোন বাধা নেই : প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী •একাদশ সংসদ নির্বাচনে এক-তৃতীয়াংশ আসনে ইভিএম •লন্ডনে গঠিত বঙ্গবন্ধুসহ চার নেতা হত্যার তদন্ত কমিশনকে বাংলাদেশে আসতে ভিসা দেয়া হয়নি •প্রধানমন্ত্রী আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পদ্মা সেতুর রেল সংযোগের ফলক উন্মোচন করবেন •কলাপাড়ায় স্লুইস সংস্কার ও রাস্তা মেরামতের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। •নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিএনপির সরকার পদত্যাগের দাবির কোন বাস্তবতা নেই : তথ্যমন্ত্রী •মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসের জন্যই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় : শিল্পমন্ত্রী
Untitled Document

মায়ার পদত্যাগ করা উচিত, বলছেন আইন বিশেষজ্ঞরা

তারিখ: ২০১৬-০৪-১২ ০০:১০:২১  |  ৩১০ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

দুদকের মামলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের রায় বাতিল করে আপিল বিভাগের রায় বহাল থাকায় তার সংসদ সদস্য পদ ও মন্ত্রিত্বে থাকা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। আইন বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলেছেন, অপরাধটা নৈতিক স্খলনের পর্যায়ে পড়ে বিধায় তার পদত্যাগ করা উচিত। তিনি আর সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী থাকতে পারেন না। আবার কেউ কেউ বলেছেন, এই আপিলটি এখন বিচারাধীন। এ অবস্থায় তার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে কোনো বাধা নেই।

সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ২ দফার ঘ-উপদফায় বলা আছে, ‘কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ সদস্য থাকবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দু’বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকে।’

এ ব্যাপারে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে যেহেতু অপরাধটা নৈতিক স্খলনের পর্যায়ে পড়ে সেহেতু সংবিধানের ৬৬/২(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুসারে তার সংসদ সদস্য পদ হিসেবে থাকা সমীচীন নয়। বিষয়টি খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি বিতর্কিত বিষয় এবং সংসদে এ নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু তার আপিল বিচারাধীন, তাই তার দণ্ড বহাল বলা যাবে না। তবে তার দণ্ডটা এখন মাথার ওপর ঝুলছে।’

এখন সংবিধান অনুযায়ী মায়ার মন্ত্রিত্ব থাকতে পারে কিনা জানতে চাইলে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, তার সাজা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তার আপিল বিচারাধীন। এটা এখন হাইকোর্টে নিষ্পত্তি হবে। তাকে হাইকোর্ট জামিনও দিয়েছেন। এর অর্থ এখন বিষয়টি হাইকোর্টের অধীনে রয়েছে। 

তাই তার আপিলের পুনঃশুনানি না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না যে তিনি দোষী। আপিল পুনঃশুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখন অপেক্ষা করতে হবে। চূড়ান্তভাবে দোষী না হওয়া পর্যন্ত তাকে দোষী বলা যাবে না। এ অবস্থায় তার মন্ত্রিত্ব পদে বহাল থাকতেও কোনো বাধা নেই বলে দাবি করেন এই সিনিয়র আইনজীবী।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘তার আপিল এখন হাইকোর্টে বিচারাধীন। এই আপিলের পুনঃশুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিু আদালতের দেয়া সাজার কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে।’ এ অবস্থায় মায়ার মন্ত্রিত্ব ও সংসদ সদস্য পদ থাকে কিনা জানতে চাইলে এ ব্যাপারে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সিনিয়র আইনজীবী মহসিন রশিদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘খালাসের রায় বাতিল হওয়ায় এখন তার দণ্ড বহাল রয়েছে। দণ্ড কখনও স্থগিত হয় না। তার যে সাজা দেয়া হয়েছে, সেটা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আপিল হয়েছে। এখন আপিল বিচারাধীন। আমি মনে করি তার এখন পদত্যাগ করা উচিত। তিনি ভারতের উদাহরণ টেনে বলেন, আমাদের এখানে নজির নেই। কিন্তু ভারতে আইন করা হয়েছে দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল বিচারাধীন থাকলে কেউ মন্ত্রী থাকতে পারবেন না। আমাদের দেশে যেহেতু আইন নেই, সেহেতু নৈতিকভাবেই তার পদত্যাগ করা উচিত।’

২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত দুদক আইনের দুটি ধারায় মায়াকে মোট ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন তিনি। আপিলের শুনানি শেষে ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর তৎকালীন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে খালাস দিয়ে রায় দেন। ১৪ জুন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ খালাসের এ রায় বাতিল করেন। পাশাপাশি হাইকোর্টে দায়ের করা আপিলটি পুনরায় শুনানির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের রায়টি রিভিউয়ের আবেদন জানালে রোববার আপিল বিভাগ তাও খারিজ করে দেন।

উল্লেখ্য, জরুরি অবস্থা চলাকালে ২০০৭ সালের ১৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নূরুল আলম সূত্রাপুর থানায় আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে ২৯ লাখ টাকার সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•আগামী নির্বাচনে সকল দল অংশ নেবে : প্রধানমন্ত্রী •শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন কলাপাড়া থানার এস আই নাজমুল ॥ •রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ঢাকায় বিশ্ব নেতারা •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির •দেশের ইতিহাসে রংপুর সিটি নির্বাচন অন্যতম সেরা : ইডব্লিউজি
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document