/* */
   Saturday,  Sep 22, 2018   01:07 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

হার নিশ্চিত জেনেই মমতার আক্রমণ কমিশনকে: মোদি

তারিখ: ২০১৬-০৪-১৮ ১৭:০৩:৩২  |  ২৬৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

বাংলার বর্ণমালা ডেস্ক; জয়ন্ত চৌধুরী, কলকাতা ও কৌশিক ঘোষ, কৃষ্ণনগর: বাম-কংগ্রেস জোট নয়, তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ তাঁরাই। রবিবার নদীয়ার কৃষ্ণনগর এবং কলকাতার শহিদ মিনারে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারসভায় এই দাবি প্রতিষ্ঠা করতে তৎপর ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই সারদা, নারদ-কাণ্ড তো ছিলই, এবার শাসকদলের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের চলতি বিরোধকেও হাতিয়ার করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়য়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও তীব্র করলেন মোদি। তাঁর মতে, পরাজয়ের ভয়ে ভীত মমতা কমিশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। 
রাজ্যের রাজনৈতিক মেরুকরণ বদলানোই এখন বিজেপির পাখির চোখ। গত লোকসভা ভোটে প্রবল মোদি হাওয়ায় ১১ শতাংশ ভোট একলপ্তে বেড়ে গিয়েছিল গেরুয়া বাহিনীর। সেই থেকেই রাজ্যে বিরোধী দলের রাজনৈতিক সমীকরণ পালটে দেওয়ার উদ্যোগ দেখা যায়। বিধানসভা নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস জোট হওয়ায় চিরাচরিত বাম-অবাম মেরুকরণ ভাঙার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেই বিজেপি নেতৃত্বের ব্যাখ্যা। রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে সেই লক্ষ্যপূরণের সুযোগ এনে দিয়েছে। এদিন দু’টি নির্বাচনী জনসভাতেই তা পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগাতে সচেষ্ট ছিলেন মোদি। 
রাজ্যের নির্বাচনী পর্বে এদিন ছিল তাঁর তৃতীয় দফার নির্বাচনী সভা। এর আগে দুই বঙ্গ মিলিয়ে তিনি চারটি সভা করেছেন। আগের সভাতে মোদির আক্রমণের নিশানায় যেমন ছিল কংগ্রেস ও বাম জোট, তেমনই সারদা, নারদ-ঘুষকাণ্ড এবং বিবেকানন্দ রোড উড়াল পুলের দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে দুর্নীতির দায়ে মমতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার প্রথমে কৃষ্ণনগর এবং পরে কলকাতায় জনসভাতে তাঁর বক্তৃতায় উঠে এসেছে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মমতার সংঘাত প্রসঙ্গ। মোদি বলেন, দিদি ভয় পেয়ে গিয়েছেন। রাজ্যের মানুষ বিকল্প খুঁজছে। তাঁরা স্বাধীনতার পর কংগ্রেস সরকার দেখেছে। সাড়ে তিন দশক বামেদের শাসন মানুষ দেখে পরিবর্তন চেয়েছিল। কিন্তু দিদির পাঁচ বছরে লুট দেখেছে রাজ্যবাসী। জনতার টাকা লুট হয়েছে। টিভিতে ছবি দেখেছে নেতারা কাপড়ে মুড়ে টাকা নিচ্ছেন। তাই বদল চাইছেন। মোদির আবেদন, এবার আমাদের সুযোগ দিন। দিল্লি পুরোপুরি মদত দেবে রাজ্যের উন্নয়নে। এদিন শহিদ মিনারে মোদির আগে তাঁর বক্তৃতায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যে তৃতীয় বিকল্প শক্তি ক্রমশ প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। সেই শক্তির ভয়ে বাঘে গোরুতে জল এক ঘাটে খাচ্ছে। তাই বাম ও কংগ্রেস জোট বেঁধেছে। সেই শক্তির জেরেই আতঙ্কিত মুখ্যমন্ত্রী কমিশনের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে দিয়েছেন। তাই এবার আর ডাইনে বা বাঁয়ে নয়, সোজ পথে হাঁটুন। এতদিন পিছনের সারিতে ছিল, এখন সামনের সারিতে চলে এসেছে বিজেপি। সম্প্রতি, কমিশনের কড়াকড়িতে শাসকদল কিছুটা চাপে পড়েছে। শুধু দলের নেতা বা প্রার্থীরাই নন, খোদ মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বস্তুত চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে কমিশনকে। তার জেরে তৃণমূলের একাধিক নেতাও বেপরোয়া হয়ে আক্রমণ করেছে কমিশনকে। বিরোধীদের অভিযোগের জেরে মমতাকে শো-কজ করেছে কমিশন। তাতেও অবশ্য তেমন কোনও হেলদোল দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রীর আচরণে। বরং প্রতিপদে কমিশনকে তোয়াক্কা না করে পালটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। 
কমিশন-মমতা এই সংঘাতের আবহকেই তাঁর আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু করেছেন মোদি। এদিন তিনি বলেন, দিদি বলেছিলেন, বাম, কংগ্রেস, বিজেপির সঙ্গে লড়বেন। কিন্তু ভোটের ময়দানে নেমে তিনি শেষ পর্যন্ত কমিশনের সঙ্গেই যুদ্ধ ঘোষণা করে দিয়েছেন। আসলে দিদি ভয় পেয়ে গিয়েছেন। পরাজয়ের আতঙ্ক গ্রাস করেছে দিদিকে। তাই তিনি কমিশনকে আক্রমণ করেছেন। মোদির মতে, খেলতে নেমে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত অপছন্দ হলেও কেউ আম্পায়ারকেই অস্বীকার করে না। দিদি দেখছি, আম্পায়ারকে চুনৌতি দিয়েছেন। এতেই স্পষ্ট, দিদি ভয় পেয়ে গিয়েছেন। তাই তিনি এমন আচরণ করছেন। তাঁকে চিঠি দিয়েছে কমিশন। জবাব দিচ্ছেন মুখ্যসচিব। দল আর প্রশাসন সব মিলেমিশে একাকার করে দিয়েছেন দিদি। এতেই বোঝা যাচ্ছে, রাজ্যে প্রশাসন কীভাবে চলে।
নারদ-কাণ্ড নিয়ে লোকসভায় এথিকস কমিটি গঠিত হলেও উচ্চকক্ষে তা হয়নি। এই ইস্যুতে বাম ও কংগ্রেস মোদিভাই-দিদিভাই তত্ত্বে শান দিয়েছে নির্বাচনী প্রচারে। এদিন মোদি ওই প্রসঙ্গ তুলে জোটকে যেমন বিঁধেছেন, তেমনই তৃণমূলের স্বার্থরক্ষায় বাম-কংগ্রেস রাজ্যসভায় এথিকস কমিটি গড়তে অনুৎসাহী হয়েছিল বলে দাবি করেছেন। মোদি বলেন, আমরা লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাই কমিটি গড়ে তৃণমূল এমপিদের ঘুষ-কাণ্ডের তদন্ত করাচ্ছি। কিন্তু রাজ্যসভায় আমরা সংখ্যালঘু। কংগ্রেস ও বামেরা কেন এথিকস কমিটি গড়ে তদন্ত করানোর উদ্যোগ নিল না? প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর ইঙ্গিত তৃণমূলকে রক্ষা করতেই বাম-কংগ্রেস একাজ করেছে। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী বক্তৃতার আগাগোড়াই জোট ও তৃণমূলকে এক বিন্দুতে মিলিয়ে দিয়ে মমতার প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠার প্রয়াস ছিল।Bartaman Patrika


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•এটাই মোদির নৃশংস নতুন ভারত': গোরক্ষকদের পিটুনিতে মুসলিম যুবক হত্যা নিয়ে রাহুল গান্ধীর টুইট •তিন তালাক ফতোয়া: শ্বশুরের সাথে রাত কাটাতে বাধ্য হয় শাহবিনা •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ভারতে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫ জনের মৃত্যু •ভারতের মহারাষ্ট্রে দলিত ও কট্টর হিন্দুদের সংঘর্ষ, দেড়শ বাসে আগুন •মধ্যরাতে তালিকা প্রকাশ, উৎকণ্ঠায় অধীর আসাম •মোদি অমিতাভের চেয়ে বড় অভিনেতা'রাহুল গান্ধী •রোহিঙ্গা সঙ্কট: কলকাতায় মুসলিমদের বিক্ষোভ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document