/* */
   Saturday,  Sep 22, 2018   02:03 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

শনিবারের ভোটেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে একইরকম সক্রিয় থাকতে হবে: জাইদি

তারিখ: ২০১৬-০৪-২৮ ০১:৩৩:৪৭  |  ৩৪৫ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

বাংলার বর্ণমালা ডেস্ক;   কলকাতা: কেন্দ্রীয় বাহিনীর সক্রিয়তায় নির্বিঘ্নে কেটেছে পঞ্চম দিনের ভোট। উত্তর ২৪ পরগনা ও হাওড়ায় তারা বুথের ধারেকাছে ঘেঁষতে দেয়নি কাউকে। যেখানেই জমায়েত হয়েছে, সেখানেই তাড়া করে বেড়িয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই সক্রিয়তায় যেমন খুশি বিরোধী দলগুলি, তেমনিই অখুশি শাসকদল। তাদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিরাপত্তার নামে প্রচণ্ড বাড়াবাড়ি করেছে। ভোটারদের মারধর করেছে। সেই সংক্রান্ত অনেক অভিযোগ জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকায় খুশি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নাসিম জাইদি। আগামী শনিবার ৫৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে তাদের একইরকমভাবে সক্রিয় থাকার জন্য মঙ্গলবার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে যারা গোলমাল পাকাতে পারে, এমন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন নাসিম জাইদি। অন্যদিকে এদিন সন্ধ্যায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে চারটি থানার অফিসার ইন চার্জ এবং কাকদ্বীপের এসডিপিও’কে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। ওই চারটি থানা হল, কসবা, পঞ্চসায়র, জীবনতলা এবং হারউড পয়েন্ট। এই নিয়ে ৬৫ জন পুলিশ ও প্রশাসনিক অফিসারকে অপসারণ করল নির্বাচন কমিশন। 
এদিন বেলা সাড়ে ৩টেয় দিল্লির নির্বাচন সদন থেকে ভিডিও কনফারেন্স করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন নির্বাচন কমিশনের অন্য কর্তাব্যক্তিরাও। মূলত, এদিনের ভিডিও কনফারেন্স ছিল তিনটি জেলার ৪৮ জন পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে। এই পর্বে ৩৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, পুলিশ পর্যবেক্ষক তিনজন এবং এক্সপেন্ডিচার পর্যবেক্ষক রয়েছেন ১১ জন। সেই সঙ্গে কলকাতা নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে সিইও সুনীল গুপ্তা, এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) অনুজ শর্মা, এডিজি (সশস্ত্র) রনবীর কুমার উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, সোমবারের ভোটে ভূমিকা ও ব্যবস্থাপনা ভালো থাকায় ঘটনাবিহীন হয়েছে। একইরকম কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে শনিবারের ভোটে। যাতে কোনও গোলমাল না হয়। পর্যবেক্ষকদের তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, যেখানে গোলমালের খবর শুনবেন, সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ছুটে যাবেন। নিজে কোথাও আটকে গেলে সেক্টর অফিসার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসারকে পাঠাবেন। যা ঘটেছে, তার রিপোর্ট সরাসরি দিল্লিতে পাঠাতে হবে। 
শনিবারের ভোটে দক্ষিণ কলকাতার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ১০৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ছ’হাজার রাজ্য পুলিশ মোতায়েন থাকবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি বিধানসভা কেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য ৩৩৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সাড়ে ১১ হাজার রাজ্য পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আর হুগলির ১৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের জন্য ২৩৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং সাড়ে ৮ হাজার রাজ্য পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এদিন রাত থেকেই ওই তিন জেলায় ৬৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে যায়। যারা উত্তর ২৪ পরগনা ও হাওড়ায় মোতায়েন ছিল। আজ, বুধবার সকাল থেকে শনিবারের ভোটের জন্য তিন জেলায় টহলদারি শুরু করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সল্টলেকের মতো রাত পাহারাও দেবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। এদিনের ডিভিও কনফারেন্সে অস্ত্র উদ্ধার এবং ‘এনবিডব্লু’ কার্যকর করতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। 
এই পর্বের ভোটের রাজনৈতিক গুরুত্ব খুব বেশি। যারাই সরকার গড়বে, তাদের দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হুগলি জেলা থেকে নিজেদের ঝুলিতে আসন ভরতে হবে। গত ভোটের হিসাব অনুযায়ী, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩১টি আসনের মধ্যে ২৬টি রয়েছে তৃণমূলের দখলে। হুগলিতে ১৮টি আসনের মধ্যে ১৬টিই তৃণমূলের অধীনে রয়েছে। আর দক্ষিণ কলকাতায় চারটি আসনই তৃণমূলের দখলে রয়েছে। সেই গড় বজায় রাখতে হবে তৃণমূল নেত্রীকে। শনিবারের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী হলেন, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, শোভন চট্টোপাধ্যায়, মণীশ গুপ্ত, রেজ্জাক মোল্লা, দেবশ্রী রায়, জাভেদ খান, সুজন চক্রবর্তী, দীপা দাশমুন্সি, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়, অম্বিকেশ মহাপাত্র প্রমুখ। বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। এই পর্বে নিজেদের দুর্গ ধরে রাখতে মরিয়া তৃণমূল। আবার দুর্গে ফাটল ধরাতে চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না সিপিএম-কংগ্রেসের জোট। তাই আজ রাহুল গান্ধীর সভায় হাজির থাকবেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। যা বর্তমান রাজনীতির বিরলতম ঘটনা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। স্বাভাবিকভাবেই জোরদার লড়াইয়ে উত্তেজনায় টগবগ করে ফুটছে এই পর্বের ভোট।
পাশাপাশি পঞ্চম দিনের মতো ষষ্ঠ দিনের ভোটকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে বদ্ধপরিকর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। আর সে কারণেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সক্রিয় ভূমিকায় থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইমতো কমান্ডান্টদের ‘ব্রিফিং’ও করে দেওয়া হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা ও হাওড়ায় যে রকম কড়াকড়ি ছিল, একইরকম কড়া হতে চলেছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। তার আগে পুলিশ অফিসারদের চাপে রাখতে ভোটের তিনদিন আগে পাঁচজনকে অপসারণ করল নির্বাচন কমিশন। যাতে সকলে নিরপেক্ষভাবে কাজ করেন, তার বার্তা পৌছে দিতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন কমিশনের এক কর্তা।Bartaman Patrika


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•এটাই মোদির নৃশংস নতুন ভারত': গোরক্ষকদের পিটুনিতে মুসলিম যুবক হত্যা নিয়ে রাহুল গান্ধীর টুইট •তিন তালাক ফতোয়া: শ্বশুরের সাথে রাত কাটাতে বাধ্য হয় শাহবিনা •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ভারতে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫ জনের মৃত্যু •ভারতের মহারাষ্ট্রে দলিত ও কট্টর হিন্দুদের সংঘর্ষ, দেড়শ বাসে আগুন •মধ্যরাতে তালিকা প্রকাশ, উৎকণ্ঠায় অধীর আসাম •মোদি অমিতাভের চেয়ে বড় অভিনেতা'রাহুল গান্ধী •রোহিঙ্গা সঙ্কট: কলকাতায় মুসলিমদের বিক্ষোভ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document