/* */
   Sunday,  Jun 24, 2018   6 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস : প্রধানমন্ত্রী •জাতীয় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করুন : রাষ্ট্রপতি •এমপি হোক আর এমপির ছেলে হোক কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল • তিন সিটিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা •নাইজেরিয়ার জয়ে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন বড় হলো •আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নানা কর্মসূচি •টেলিটকের ফোরজির জন্য অপেক্ষা আরো চার মাস
Untitled Document

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫’র জুরি বোর্ড গঠন

তারিখ: ২০১৬-১০-১১ ২৩:৩৪:০৮  |  ২২৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

বাংলার বর্ণমালা ডেস্ক;বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’। চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ব্যক্তি বিশেষ, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে থাকে। এবারের ৪০ তম আসরের জন্য তথ্যমন্ত্রণালয় সম্প্রতি জুরি বোর্ড গঠন করেছে বলে জানা গেছে।
 
২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর মধ্যে পুরস্কার প্রদানের জন্য ১৩ সদস্য বিশিষ্ট এই জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) সরাফ উদ্দিন আহমেদ। সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন।

জুরি বোর্ডের সদস্যরা হলেন- তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও চলচ্চিত্র) মনজুরুর রহমান, অধ্যাপক সফিউল আলম ভূঁইয়া (চেয়ারম্যান, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), মতিন রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক), সুজেয় শ্যাম (সংগীত পরিচালক), পঙ্কজ পালিত (চিত্রগ্রাহক), এম এ আলমগীর (অভিনেতা), রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা (সংগীতশিল্পী), কেরামত মাওলা  (শিল্প নির্দেশক), চিন্ময় মুৎসুদ্দী (সাংবাদিক, চলচ্চিত্র গবেষক), মুজিবুর রহমান দুলু (চলচ্চিত্র সম্পাদক), মুনমুন আহমেদ (অভিনয় ও নৃত্যশিল্পী)।

নবগঠিত জুরি বোর্ডের প্রথম সভায় পুরস্কার প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

পুরস্কার হিসেবে আঠার ক্যারেট মানের পনের গ্রাম স্বর্ণের একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, একটি সম্মাননা পত্র দেওয়া হয়। আজীবন সম্মাননাপ্রাপ্তকে এক লাখ টাকা দেয়া হয়। শ্রেষ্ঠ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক ও শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজককে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এছাড়া শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালককে ৫০ হাজার টাকা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ত্রিশ হাজার টাকা প্রদান করে থাকে।

১৯৭৫ সাল থেকে এই পুরস্কারটি প্রদান করে আসছে। ১৯৮১ সালে কোনো চলচ্চিত্র না পাওয়ায় সে বছর কোনো পুরস্কার প্রধান করা হয়নি। এছাড়া নিয়মিতভাবে বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মাধ্যমে এ পুরস্কার প্রদান করে আসছে।

 

 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হবে ৮ জুলাই •রাজনীতিতে এলেন তামিল সুপারস্টার রজনীকান্ত •অপু বিশ্বাসকে তালাকনামা পাঠিয়েছেন শাকিব খান •দেশের ইতিহাস সংস্কৃতিকে তুলে ধরে উন্নত ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ করুন : প্রধানমন্ত্রী •জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ গীতিকার আমিরুলের স্বপ্ন ছোঁয়ার গল্প •সংস্কৃতিচর্চাই আমৃত্যু মনোবলে বলিয়ান বর্ষিয়ান নাট্যপুরুষ নান্নু' •বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী লাকী আখন্দের মৃত্যু •সৌদি আরবে তৈরি হবে বিশাল 'বিনোদন নগরী
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document