/* */
   Tuesday,  Dec 11, 2018   03:57 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

ছেলেকে নিয়ে একজন পুলিশ কনস্টেবলের আনন্দাশ্রু

তারিখ: ২০১৬-১০-১২ ১০:০৬:৩১  |  ২৫৪ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ছেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এ যেন এক মহা আনন্দের খবর বাবার কাছে। শুধু কি কষ্টই চোখে পানি নিয়ে আসে, না মাঝে মাঝে আনন্দের খবরেও চোখ দুটো ভিজে যায়। তেমনি এক খবরে চোখ ভেজালেন ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল সামসুল।

আর তার চোখ ভেজার পুরো কাহিনীটি নিজের ফেসবুক ওয়ালে বর্ণনা করেছেন সিলেট রেঞ্চের পুলিশের সা‌র্জেন্ট ফাহাদ মোহাম্মদ। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সামসুল ও তার পরিবারের আনন্দের বিষয়টি তুলে ধরেন এই কর্মকর্তা।

পাঠকের জন্য ফাহাদ মোহাম্মদের (Fahad Mohammad) ফেসবুক ওয়াল থেকে লেখাটি কপি করে হুবহু প্রকাশ করা হলো।

“স্যার আমার ছেলে মাসুম মেডিকেলে চান্স পাইছে। চট্টগ্রাম মেডিকেলে পোস্টিং (আনন্দে সে ভর্তির সুযোগকে পোস্টিং বলেছে) হইছে। স্যার আমার ছত্রিশ বছরের চাকরি জীবনের সফলতা। এই ছেলে-মেয়েদের মানুষ করার জন্য জীবনের সব সুখ-আহ্লাদ বিসর্জন দিয়েছি। স্যার, ছেলে যখন পড়তে বসে তখন আপনার ভাবি আর আমি পাশে বসে থাকি। ছেলের মা ছেলেকে বিভিন্ন প্রকার ফল, চা খেতে দেয় এই সময়। ছেলে যদি ২টা পর্যন্ত পড়ালেখা করে আমরাও বসে থাকি। গতবার যখন মেডিকেলে চান্স পায়নি তখন ছেলে কান্না থামাতে গিয়ে আমিও অনেক কষ্টে চোখের পানি ধরে রেখে একা একা কেঁদেছি।

জানেন স্যার এই ছেলে যখন জন্ম হয় তখন ঢাকা শিশু হাসপাতালের ডাক্তাররা বলেছিলো ‘এই বাচ্ছার আশা ছেড়ে দিন।’ স্যার আমি আশা ছাড়িনি। এক ডাক্তার থেকে অন্য ডাক্তারের কাছে গিয়েছি। তখন এক ডাক্তার মায়ের দুধের পাশাপাশি ইনফেন্ট (গুঁড়ো দুধ) খেতে বলেছিল। স্যার সেই ছেলে আজ মেডিকেলে চান্স পাইছে। এই আনন্দ কোথায় রাখিব বলেন। আমার ছেলে অনেক মেধাবী স্যার। গতবার যদি প্রশ্নপত্র ফাঁস না হইত তাহলে আমার ছেলে চান্স পাইত। মেডিকেলে ভর্তি হতে না পারলেও সে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএতে ভর্তি হইছিলো। সে আরো ভালো সাবজেক্ট পাইতে পারতো কিন্তু মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা দেবে বলে অন্য সাবজেক্টে ভর্তি হয় নি।

 

স্যার আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন। এখন যাই স্যার সবাইকে মিষ্টি খাইতে হবে।”

চশমাটা উপরে তুলে রুমাল দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে সামসুল বাসার দিকে রওনা দিলেন। আমার কাছে ক্ষমতা থাকলে সামসুলকে দুদিনের ছুটি দিতাম। আনন্দটা উপভোগ করার সুযোগ তার প্রাপ্য।
উল্লেখ্য, সামসুলের বাকি দুই মেয়েও উচ্চতর শিক্ষা লাভ করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং ভালো মানের চাকরি এবং তাদের স্বামীও উচ্চশিক্ষিত।

পুলিশ পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা সন্দিহান সামসুল তাদের জন্য একটা উদাহরণ মাত্র। আরো শত শত কনস্টেবল সামসুলের ছেলে-মেয়ে ভালো অবস্থানে আছে। বরং আপনি এখনো কিছুই করতে পারছেন না, আপনার সন্তানের বেশিরভাগ গেছে রসাতলে। অন্যের সমালোচনা করার আগে আয়নায় নিজের চরিত্র এবং অবস্থানটা দেখেই মুখ খুলুন।জাগোনিউজ২৪


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা আইয়ুব বাচ্চু মারা গেছেন: শনিবার চট্টগ্রামে দাফন •যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার কর্মী জুলিয়ান ফ্রান্সিসের স্বপ্ন পূরণ হলো •কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সহ-সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য বুলেট ও মিরনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ॥ •নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত এমপিওভুিক্তর চেষ্টা করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •তথ্য মন্ত্রণালয়ের ১৩ সংস্থার সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি •কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত •চলচ্চিত্র পরিবারের সাথে তথ্যসচিবের মতবিনিময়
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document