/* */
   Friday,  Dec 14, 2018   3 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

তিন থেকে ২০ লাখ টাকায় প্রভাষক নিয়োগ হচ্ছে

তারিখ: ২০১৬-১২-১৮ ২২:৫৪:২৩  |  ২৪৬ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

টিআইবির গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশ করা হয় আজ

বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে লক্ষ লক্ষ টাকার হাতবদল হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা টিআইবি।

"আমরা ৩ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের তথ্য আমরা পেয়েছি, এটা দু:খজনক হলেও সত্য - কিন্তু এটা একটা গুণগত গবেষণা, তাই ঠিক কতটা দুর্নীতি হচ্ছে তা আমরা বলতে পারছি না।"- বিবিসি বাংলাকে বলেন মোহাম্মদ রফিকুল হাসান টিআইবির গবেষণা বিভাগের পরিচালক।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ নামের সংস্থাটি আজ এ নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়,আর্থিক দুর্নীতি ছাড়াও রাজনৈতিক বিবেচনাতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক পদে নিয়োগ করা হচ্ছে, পরিবর্তন ঘটানো হচ্ছে নিয়োগ বোর্ড গঠন এবং যোগ্যতার মাপকাঠিতে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ার নানা দুর্নীতি এবং অনিয়মের বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করে টিআইবির রিসার্চ ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান বিবিসি বাংলার মাসুদ হাসান খানকে বলেন, এসব পদে নিয়োগের আগে থেকেই একধরণের 'ইঞ্জিনিয়ারিং' করা হচ্ছে বলে তারা দেখতে পেয়েছেন।

"হয়তো নতুন শিক্ষকের প্রয়োজন নেই কিন্তু বলা হচ্ছে প্রয়োজন আছে। অনেককে পরীক্ষায় বেশি নম্বর দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে - এমনটাও দেখেছি।"

"কাকে নেয়া হবে তা যেন আগে থেকেই যোগসাজশের ভিত্তিতে ঠিক করে রাখা হয়" - বলেন তিনি।

  একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চলছে

"প্রার্থীদের যোগ্যতার কাগজপত্র যখাযথভাবে তুলে ধরা হচ্ছে না। কেউ হয়ো প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হলেন তাকে শুধু 'প্রথম শ্রেণী' বলে উল্লেখ করা হলো। কিন্তু যাকে আসলে নিয়োগ করা হবে - তার যোগ্যতার কথা বিস্তারিতভাবে বলা হলো।"

রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে নিয়োগ করা হচ্ছে - এবং এ ক্ষেত্রে নির্বাচনে ভোটার কনফার্ম বা দলীয় সমর্থক বৃদ্ধি করার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে -বলেন মি. হাসান।

তার কথায়, মেধাভিত্তিক না হয়ে শিক্ষক নিয়োগে এখন রাজনৈতিক বিবেচনা, স্বজনপ্রীতি বা আঞ্চলিকতার প্রভাব চলে এসেছে।

মি. হাসান বলেন, তাদের তথ্যের যথার্থতা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই, কারণ তারা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও এ সংক্রান্ত প্রশাসনের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক,উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এরকম বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বলেএ তথ্যগুলো পেয়েছেন।

এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু নীতিমালা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সুপারিশ করেছে টিআই বি।বিবিসি


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•কালকিনিতে ডিকে আইডিয়াল কলেজের হোস্টেল সিট বরাদ্দের অনিয়মের অভিযোগ ছাত্রদের অনশন। •আমতলীর আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উম্মুক্ত বাজেট ঘোষণা •আমতলীতে ৫ বিশিষ্ট ব্যক্তির স্মরণ সভা। •পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী কাল • (জ্যাক) এর বিজ্ঞপ্তি , সাংবাদিক গাজী রহমত উল্লাহ. বহিস্কার •শোক সংবাদ গোলাম মোস্তফা • ঝিনাইদহে খালার সঙ্গে অভিমানে স্কুল শিক্ষার্থীর বিষপানে আত্মহত্যা •শৈলকুপায় আবারো বাবা-মাকে মারধর ও খেতে না দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document