/* */
   Wednesday,  Sep 26, 2018   8 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

আমতলী ও তালতলী কৃষি জমি ও বাধেঁর মাটি ইটভাটার গ্রাসে!

তারিখ: ২০১৭-০১-০৮ ২২:৫৬:৪১  |  ২৫২ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার কৃষকরা ইটভাটার মালিকদের প্রলোভনে পড়ে দেদারসে বিক্রি করছে কৃষি জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ফসল আবাদ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। কৃষিবিদরা বলেছেন, এভাবে মাটি কাটায় জমি উর্বরতা হারাচ্ছে। অবিলম্বে মাটি কাটা বন্ধ না হলে বড় ধরনের ফলন বিপর্যয়ের মুখে পড়বে কৃষকরা। আমতলী ও তালতলী উপজেলায় ড্রাম চিমনি এবং পাজা পদ্ধতির ২৫টি ইটভাটা রয়েছে। এ ইটভাটাগুলোতে বছরে কয়েক কোটি ইট পোড়ানো হয়। ইট পোড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় মাটি ভাটার মালিকরা জমির মালিকের কাছ থেকে ১ হাজার ঘনফুট মাটি ১ হাজার টাকা দামে ক্রয় করছে। জমির মালিকরা না বুঝে উপরিভাগের উর্বর মাটি বিক্রি করে দিচ্ছে। চরের মাটি কেটে ট্রলারে করে আনা হচ্ছে ইটভাটায়। এদিকে, উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বক্স চরের মাটি ইটভাটার মালিকরা কেটে নিচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের বাদুরা, সোনাখালী, চাউলা, আমতলী সদর ইউনিয়নের সেকান্দারখালী, বান্দ্রা ও খলিয়ান এলাকার বাঁধের চরের মাটি ভাটার মালিকরা কেটে নিচ্ছে। আবার অনেকে ইটভাটায় মাটি বিক্রির জন্য কৃষি জমি কেটে পুকুর খনন করেছে। এর ফলে হাজার হাজার একর কৃষি জমির উর্বরতা হারাচ্ছে এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মারাÍক হুমকির মধ্যে রয়েছে। মাটি কাটা শ্রমিক সর্দার আলাউদ্দিন জানান, আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের তিনটি ইটভাটায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বক্স চরের দখলীয় জমির মালিকদের কাছ থেকে মাটি কিনে কেটে আনা হচ্ছে। আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম বদরুল আলম বলেন, কৃষি জমির উপরের ৬ ইঞ্চি থেকে দেড়ফুট পর্যন্ত মাটির উপরিভাগে রাসায়নিক উপাদান থাকে। এ মাটি কেটে নেয়া হলে যেমন জমি উর্বরতা হারাবে তেমনি ফসল আবাদে বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মুশফিকুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •কলাপাড়ায় স্লুইস সংস্কার ও রাস্তা মেরামতের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। •চোরাই মালমাল ও চুরির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামসহ চিহ্নিত চোর মনির আটক ॥ •শিবচরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৮ উদযাপন উপলক্ষ্যে মূল্যায়ন,পুরষ্কার বিতরন ও সমাপনী অনুষ্ঠান •আমতলীতে মানবাধিকার বিষয়ক ৩ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন •কলাপাড়ায় মাদক বিরোধী আলোচনা সভা •কালকিনির ভূরঘাটা মজিদবাড়ীতে অতিদরিদ্র ২১পরিবারের মাঝে ইঞ্জিনচালিত ভ্যান বিতরণ •স্বেচ্ছায় খালের স্থাপনা ভেঙ্গে নেয়ায় ২২ ভূমিহীনসহ ৩৫ পরিবারকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document