/* */
   Friday,  Sep 21, 2018   7 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

নোয়াখালির নির্জন দ্বীপে রোহিঙ্গাদের সরাবে বাংলাদেশ

তারিখ: ২০১৭-০১-৩১ ০০:৩২:২৬  |  ২১১ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

বাংলাদেশে চলে আসা রোহিঙ্গাদের একটি শরণার্থী শিবির

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তাছাড়া, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশের মূল জনগোষ্ঠীর সাথে মিশে যেতে না পারে, সে লক্ষ্যে ব্যবস্থা নিতে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে।

মিয়ানমারে গত অক্টোবর মাসে সেনা অভিযান শুরু হলে কমপক্ষে পয়ষট্টি হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

এছাড়া, আগে থেকেই বাংলাদেশের শরনার্থী শিবির ও শিবিরের বাইরে প্রায় তিন লক্ষ রোহিঙ্গা বসবাস করছে বলে কর্মকর্তাদের ধারণা।

সরকার আশঙ্কা করছে যে এরা অবৈধভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে।

এটা রোধ করতে সরকারের সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাবাসনের আগে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের পর্যায়ক্রমে নোয়াখালি জেলার হাতিয়া উপজেলার ঠ্যাঙ্গার চরে স্থানান্তর করা হবে।

এছাড়া, রোহিঙ্গারা নির্ধারিত এলাকার বাইরে গেলে তাদের গ্রেফতার করে ক্যাম্প এলাকায় পুশব্যাক করতেও বলা হয়েছে।

অবৈধভাবে প্রবেশ করা মিয়ানমারের নাগরিকদের চিহ্নিত করার জন্যে চট্টগ্রামে বিভাগীয় কমিটি এবং ঐ এলাকার সংশ্লিষ্ট তিন জেলা সহ অন্যান্য জেলায় কমিটি গঠন করতেও বলা হয়েছে।

ছবির কপিরাইট   রাখাইন রাজ্যের জন্য গঠিত উপদেষ্টা কমিশনের সদস্যরা রবিবার কথা বলছেন বাংলাদেশে চলে আসা রোহিঙ্গাদের সাথে

বাংলাদেশ সরকার বলছে, মিয়ানমারের এই সব নাগরিক শরণার্থী শিবির থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের মূল জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মিশে যাচ্ছে - এবং তারা আইন-শৃঙ্খলাজনিত বা স্বাস্থ্যগত নানা ঝুঁকি তৈরি করছে।

মিয়ানমারের এই সব নাগরিক, যারা প্রায় সবাই রোহিঙ্গা মুসলিম, তাদের মাধ্যমে সংক্রামক ব্যধির বিস্তার ঘটছে বলেও সরকারি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, 'মিয়ানমারের অগণিত নাগরিক অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশে করেছে ও তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে'।

আর সেই পরিস্থিতির মোকাবিলাতেই সরকার 'অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী মিয়ানমার নাগরিকদের চিহ্নিতকরণ কমিটি' নামে বিভিন্ন পর্যায়ে অনেকগুলো কমিটি গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, এই সব কমিটির প্রধান কাজ হবে 'সর্বস্তরের জনগণ ও গোয়েন্দাদের সাহায্য নিয়ে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী মিয়ানমার নাগরিকদের চিহ্নিতকরণ ও তাদের ক্যাম্প এলাকায় পুশের ব্যবস্থা করা'।

তবে এখন এই ধরনের কমিটি গড়ার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ স্পষ্ট করে দিল, শরণার্থী রোহিঙ্গারা যদি তাদের ক্যাম্প বা শিবিরের বাইরে গিয়ে মূল সমাজে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করে সরকার তা বরদাস্ত করবে না।

নোয়াখালির উপকূলে হাতিয়া উপজেলার ঠ্যাঙ্গার চরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর করার পদক্ষেপও এই পরিকল্পনার অংশ - যাতে তারা বাংলাদেশের সমাজের মূল জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মিশে যেতে না-পারে।বিবিসি


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•আগামী নির্বাচনে সকল দল অংশ নেবে : প্রধানমন্ত্রী •শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন কলাপাড়া থানার এস আই নাজমুল ॥ •রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ঢাকায় বিশ্ব নেতারা •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির •দেশের ইতিহাসে রংপুর সিটি নির্বাচন অন্যতম সেরা : ইডব্লিউজি
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document