/* */
   Monday,  Jun 18, 2018   5 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

সিরিয়ায় পাঁচ বছরে ১৩ হাজার লোককে 'গণ-ফাঁসি'

তারিখ: ২০১৭-০২-০৮ ০০:৪৫:৫৭  |  ১৯৫ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

সায়ডনায়া কারাগার: উপগ্রহ চিত্রে

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, সিরিয়ার একটি সামরিক কারাগারে গত পাঁচ বছরে ১৩ হাজারের মতো মানুষকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটি বলছেন, প্রতি সপ্তাহে ৫০ জনের মতো বন্দীকে, গ্রুপে গ্রুপে, এসব গণফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। রাজধানী দামেস্কের কাছে এই জেলখানাটি পরিচিত 'কসাইখানা' হিসেবে।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে তাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক এবং মানবাধিকার কর্মী. যারা প্রেসিডেন্ট আসাদ সরকারের বিরোধিতা করছেন।

কিন্তু রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতনের খবর সবসময়ই অস্বীকার করে সিরিয়ার সরকার।

ছবির কপিরাইট এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল   ওমর আল শোগরে - বন্দীত্বের আগে-পরে

অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল তাদের রিপোর্টটি তৈরি করেছে গত ছয় বছর ধরে আশি জনের বেশি মানুষের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে। এদের মধ্যে সায়ডানায়া কারাগারের সাবেক বন্দী যেমন আছেন, তেমনি আছেন ঐ জেলখানায় রক্ষী হিসেবে হিসেবে কাজ করেছেন এমন কয়েকজন।

রিপোর্টে অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল দাবি করছে, গণহারে এই ফাঁসির ঘটনাগুলো ঘটেছে ২০১১ সাল হতে ২০১৫ সালের মধ্যে। অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালেরএকজন গবেষক ডায়ানা সিমান বলেন, জেলখানায় যাদের রাখা হতো, তাদের বেশিরভাগই ছিলেন বেসামরিক নাগরিক, এবং মূলত প্রেসিডেন্ট আসাদের বিরোধিতা করার কারণেই তাদের জেলে ভরা হয়।

ডায়ানা সীমান বলছেন, গত ছয় বছর ধরে আমরা আমরা বহু বেসামরিক মানুষের সাক্ষাৎকার নিয়েছি, যাদের সিরিয়ার সরকারের বিরোধী বলে গণ্য করা হয়। এরা সিরিয়ায় সরকার বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন, বা হয়তো সোশ্যাল মিডিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন। সায়েড্-নায়া কারাগারে এবং সিরিয়ার অন্যান্য জায়গায় এধরণের লোকজনকেই শাস্তি দেয়া হচ্ছে। সেখানে তাদের রাখা হচ্ছে খুবই অমানবিক পরিবেশে। তাদের ওপর বন্দী অবস্থায় নির্যাতন চালানো হচ্ছে। তাদের অনাহারে রাখা হচ্ছে, চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না এবং ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে।

রিপোর্টে বলা হয়, প্রতি সপ্তাহে, কখনো কখনো সপ্তাহে দুবার করে বিশ হতে পঞ্চাশ জন বন্দীকে নিয়ে গিয়ে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে। দামেস্কের উত্তরে এক গোপন জায়গায় এদের ফাঁসি দেয়া হতো।

  সায়ডনায়া কারাগার, মানচিত্রে

সেখানে নেয়ার আগে অল্পক্ষণের জন্য বন্দীদের নিয়ে যাওয়া হতো একটি সামরিক আদালতে। সেখানে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে শেষ করে ফেলা হতো তাদের বিচার।

অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালের ডায়ানা সীমান দাবি করছেন, এভাবে গণহারে যে লোকজনকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে, সেটা সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের জ্ঞাতসারেই ঘটেছে।

তিনি বলেন, "সায়েড্-নায়া জেলখানার সাবেক রক্ষী এবং কর্মকর্তাদের দেয়া বিবরণ থেকে আমরা বলতে পারি, সিরিয়ার সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানেই এই গণহারে ফাঁসি দেয়া হচ্ছে। ফাঁসি দেয়ার আগে তাদের কোন সামরিক আদালতে মাত্র দুই তিন মিনিটের জন্য হাজির করা হয়। কাজেই ন্যায়বিচারের আন্তর্জাতিক মানদন্ডের কিছুই এসব আদালতে মানা হয় না। সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর অধীনে চলে এসব আদালত এবং এরা কি করছে তা অবশ্যই প্রেসিডেন্টের কাছে পরবর্তীতে জানায়।"অ্যামনেষ্টি তাদের রিপোর্টে বলছে, যাদের এভাবে ফাঁসি দেয়া হতো, তাদের দেহ ট্রাকে তুলে দামেস্কের টিশরিন সামরিক হাসপাতালে নেয়া হতো, সেখানে থেকে একটি সামরিক এলাকায় গণকবর দেয়া হতো। কেবল সায়ডনায়া কারাগারেই পাঁচ বছরে পাচ হতে তের হাজার মানুষকে ফাঁসি দেয়া হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করছে অ্যমনেষ্টি।

যদিও ২০১৫ সালের পরে এরকম ফাঁসি অব্যাহত থাকার কোন প্রমান অ্যামনেষ্টির হাতে নেই, তারা বিশ্বাস করে, ফাঁসি হয়তো এখনো বন্ধ হয়নি।

এই রিপোর্টের ব্যাপারে অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল সিরিয়ার সরকারের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছিল বলে দাবি করছে।

কিন্তু সিরিয়ার সরকারের তরফ থেকে নাকি তারা কোন সাড়া পায় নি। তবে সিরিয়ার সরকার অতীতে এভাবে হত্যা বা বন্দীদের নির্যাতনের কথা অস্বীকার করেছে।বিবিসি


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•২০২৪ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘মে ডিক্রি’ স্বাক্ষর পুতিনের •ইসরায়েলি সৈন্যকে চড় মেরে ঝড় তুলেছে ফিলিস্তিনি এক কিশোরী •মেক্সিকোর জন্যে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী বছর ২০১৭ •ইসরাইল-ফিলিস্তিন সমঝোতা প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করতে জাতিসংঘে রাশিয়ার আহবান •রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে নমপেনের সহযোগিতা কামনা ঢাকার •মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে সম্মত •বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নারী: “আঁর পোয়াইন্দার বাপ ইঞ্জিনিয়ার আছিল” •বাবা-মাকে ছাড়াই বাংলাদেশে তেরোশো রোহিঙ্গা শিশু
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document