/* */
   Wednesday,  Jun 20, 2018   11:44 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

পার্কিংয়ের জায়গায় অবৈধভাবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৬৩৫টি দোকান বরাদ্দ দেয়ার পাশাপাশি আরও ৭১৫টি দোকান গড়ে তোলা হয়েছে।

তারিখ: ২০১৭-০৩-১১ ১৬:২৩:২০  |  ২১৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৯টি মার্কেটের ১১টি ভবনে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দুই হাজার ৩৫১টি দোকান উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তের পর বেশ কয়েকটি দোকান উচ্ছেদও করা হয়েছে। কিন্তু উচ্ছেদের কিছুদিন যেতে না যেতেই তা আবার বন্ধ করে দিয়েছে ডিএসসিসি কর্তপক্ষ। কর্মকর্তাদের অনৈতিক স্বার্থের কারণেই এ অভিযান থেমে গেছে বলে অভিযোগ খোদ সংস্থার সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তাদের।

জানা গেছে, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৯টি মার্কেটের ১১টি ভবনে দুই হাজার ৩৫১টি দোকান গড়ে উঠেছে। এসব ভবনের কার পার্কিংয়ের জায়গায় অবৈধভাবে ১৬৩৫টি দোকান বরাদ্দ দেয়ার পাশাপাশি আরও ৭১৫টি দোকান গড়ে তোলা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট দফতরের সহযোগিতায় প্রভাবশালীরা মার্কেটের কার পার্কিংয়ের জায়গায় দোকানগুলো নির্মাণ করেছে। অভৈধভাবে গড়ে ওঠা এসব দোকান ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়া হলে কয়েকটি দোকান উচ্ছেদ করে অভিযান বন্ধ রেখেছে সংস্থাটি।

সিটি কর্পোরেশনের আইন অনুযায়ী কার পার্কিংয়ের জায়গা দোকান বরাদ্দের কোনো সুযোগ নেই। বিগত মেয়র ও প্রশাসকদের সময়ে এসব অবৈধ ঘটনা ঘটলে নতুন মেয়র আসার পর অবৈধ দোকান উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পাশাপাশি এই কাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু দিনের পর দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধেই কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডিএসসিসির মালিকানাধীন ৯টি দোকানের কার পার্কিংয়ের জায়গায় কর্পোরেশনের রাজস্ব ও সম্পত্তি বিভাগ থেকে সর্বমোট দুই হাজার ৩৫১টি দোকান বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-১ এ ৬৮টি, ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২ এ ৫৩১টি, পল্টন শপিং কমপ্লেক্সে ১৯টি, আহসান মঞ্চিল (নবাব বাড়ি) সুপার মার্কেট ১৪৯টি, সুন্দরবন স্কয়ার সুপার মার্কেটে ২৩০টি, ঢাকা ট্রেড সেন্টারে ৩৪১টি দোকান বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া অননুমোদিতভাবে কাপ্তান বাজার কমপ্লেক্সে-১ এ ৩৫০টি এবং কমপ্লেক্সে-২ এ ৩৬৬টি দোকান গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে রাজস্ব বিভাগ থেকে স্থায়ীভাবে ২৩৬টি এবং অস্থায়ীভাবে ৭৯৭টি দোকান বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে সম্পত্তি বিভাগ থেকে স্থায়ীভাবে কোনো দোকান বরাদ্দ দেয়া না হলেও অস্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৬০২টি দোকান। এ ছাড়া এসব মার্কেটে অননুমোদিতভাবে গড়ে উঠেছে আরও ৭১৬টি দোকান। সবমিলিয়ে দুই হাজার ৩৫১টি অবৈধ দোকান রয়েছে এসব মার্কেটে।

সম্প্রতি এসব অবৈধ দোকান উচ্ছেদের জন্য সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান করে কয়েকটি দোকান উচ্ছেদও করেছে। অল্পকয়েকটি দোকান উচ্ছেদের পরপরই তা থেমে যায়। এর পেছনে কর্পোরেশনের শীর্ষক কর্মকর্তাদের মৌখিক নিষেধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সম্পত্তি বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, আমরা বারবার উচ্ছেদের জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রস্তুতিও নিয়েছে। কিন্তু আমাদেরকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি না নিয়ে উচ্ছেদে না যেতে নিষেধ করেছেন। তাই আমরা উচ্ছেদে যাচ্ছি না।

গত বছরের ডিসেম্বরে কর্পোরেশনের মালিকানাধিন নগরীর সড়কের পাশের মার্কেটগুলোর কার পার্কিংয়ের জায়গায় কী পরিমাণ অবৈধ দোকান রয়েছে তার তালিকা চেয়ে আদালতে একটি রিট করা হয়। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২ মার্চ সম্পত্তি কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি কমিটি করে সিটি কর্পোরেশন। কমিটি অবৈধ দোকানের তালিকা তৈরি করে প্রতিবেদন দাখিল করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৯টি মার্কেটের ১১টি ভবনে দুই হাজার ৩৫১টি অবৈধ দোকান কার পার্কিংয়ের স্থানে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে। এর মধ্যে স্থায়ী বরাদ্দকৃত ২৩৬টি এবং অবস্থায়ী বরাদ্দকৃত এক হাজার ৩৯৯টি দোকান বাতিল করে উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। এছাড়া অননুমোদিতভাবে নির্মতি আরও ৭১৬টি দোকান দ্রুত উচ্ছেদের ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়। এরপর সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দোকানগুলো উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন।

এ বিষয়ে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সহকারী সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, দোকানগুলো উচ্ছেদ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। কয়েকটি দোকান উচ্ছেদও হয়েছে। এর বাহিরে আর কিছু জানা নেই।জাগোনিউজ


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বিপন্ন রোহিঙ্গারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী •নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিতে বিশ্ব ব্যাংকের অতিরিক্ত ২৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার •রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির •দেশের ইতিহাসে রংপুর সিটি নির্বাচন অন্যতম সেরা : ইডব্লিউজি •ফারমার্স ব্যাংক থেকে মহীউদ্দীন আলমগীরের পদত্যাগ বেসিক ব্যাংকের দুই সাবেক পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ •বাংলাদেশে ৮ লাখ ১৭ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে : আইওএম •রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দশ হাজার লেট্রিন নির্মাণ করে দিবে ইউনিসেফ •বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়ার খোয়াব কর্পূরের মতো দূর হয়ে যাবে : ওবায়দুল কাদের
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document