/* */
   Tuesday,  Dec 11, 2018   9 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

তালতলীতে মামলাবাজ -চাঁদাবাজ এক তনুর কান্ড এলাকার নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী

তারিখ: ২০১৭-০৩-১২ ২০:২১:০১  |  ৫৬৫ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

 
বিশেষ প্রতিনিধি ঃ তালতলীর উত্তর ঝাড়াখালী গ্রামের মামলাবাজ ও চাঁদাবাজ তেফাজ্জেল হোসেন তনুর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকার নিরীহ মানষের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী ,চাঁদাবাজি ও জমি দখলের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলার ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করছেনা। প্রতিবাদ করলেই মামলা অতপর চাঁদাদাবী। চাঁদা না দিলে জেল। ধর্ষণ, হত্যা, লুট, চাঁদাবাজী, ছাব্বিশ মামলা সহ জটিল মামলায় জড়িয়ে এলাকার নিরীহ মানুষদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করছে সে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিভিন্ন সময় তনুর দেয়া সকল মামলা তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। এর পরও থেমে নেই এ তনু । তিনি দেদারছে মামলা দিয়ে হয়রানী, চাঁদাবাজী ও জমি দখল চালিয়ে যাচ্ছে। চাঁদা না দিলে তার আত্মীয়-স্বজন ও বংশের লোকদের বিরুদ্ধেও করে মামলা। গত ০৩/১১/১৬ তারিখে তনুর এক জ্ঞাতি ভাতিজা একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ উজ্জামান তার স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে জেএসসি পরীক্ষার্থী মশিউররহমানকে (১৩) আসামী করে আমতলী কোর্টে  একটি মারামারি ও  ছিনতাইয়ের  মামলা করে। মামলা নং-পিটি-১৩০৩/১৬। তনুর নিকটাত্মীয় বরগুনা জেনারেল হসপাতালের ষ্টাফ থাকার সুবাদে ঐ মামলায় একটি মিথ্যা মেডিকেল সার্টিফিকেটও নিয়ে আসে তনু। সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঘটনার দিন তনুর সাথে প্রধান শিক্ষক অশ্রাফুজ্জামান মাষ্টারের কোন ঘটনাই ঘটেনি। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে আশ্রাফুজ্জামান মাষ্টারের সাথে তার সৎ ভাইদের সাথে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। অশ্রাফুজ্জামান মাষ্টারকে সম্পত্তি ছেড়ে না দেয়ার চক্রান্তে তার সৎ ভাইয়েরা মামলাবাজ তনুকে  দিয়ে অশ্রাফুজ্জামান মাষ্টারকে  হয়রানী করার ষড়যন্ত্র করে। তনু  অশ্রাফুজ্জামান মাষ্টারের কাছে চাঁদা দাবী করে। চাঁদা না দেয়ায় ঐ মামলা করে মাষ্টারের বিরুদ্ধে। এ মামলায় তিনি বর্তমানে জামিনে রয়েছে। ইতিপূর্বে ও আশ্রাফ মাষ্টারের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল এই তনু। মামলা নং এমপি ৯৭/৮৭। ঐ সময় মামলটি আমতলী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মিজানুররহমান এর কাছে তদন্ত দিলে তদন্তে মামলাটি মিথ্যা প্রমানিত হয়।  
এ ছাড়াও তনু যে সকল মিথ্য মামলা করেছে তার কতিপয় উল্লেখ করা হল। সি আর মামলা নং ৫১৫/৯০। মামলাটি তদস্ত করেন তৎকালীন আমতলী সহকারী কমিশনার (ভুমি) শেখ আব্দুল আহাদ । ঐ মামলাটিও তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত হয় ।ঐ তদন্তে তিনি উল্লেখ করেন এলাকার ৬০/৭০ জন লোক ও ঐ ইউনিয়নের সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে তদন্তে জানা গেছে মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।  এ ছাড়াও সি আর ২৩২/৮৭, দায়রা মোকাদ্দমা নং ২৭/৯১, জি আর ১৪৩/ ৯৪, সি আর ৩৫৬/৯৪, সি আর ৫১৫/৯০,এ সকল মিথ্যা মামলায় অতিষ্ঠ হয়ে তনুর আরেক জ্ঞাতি ভাতিজা বজলু হাওলাদার বরগুনা পুলিশ সুপার বরাবরে একটি আবেদন করেছিল। ঐ আবেদনের প্রেক্ষিতে তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার নিয়ামত আলী সরেজমিন তদন্ত করে সকল মামলা মিথ্যা প্রমানিত হয় বলে রিপোর্টে উল্লেখ করেন।ঐ রিপোর্টে তিনি উল্লেখ করেন তোফাজ্জেল হোসেন তনু দরখাস্তকারীকে বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে অযথা হয়রানী অর্থহানী,জমি জবর দখল করে আসছে । অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে তেফাজ্জেল হোসেন তনু অবৈধ অর্থউপার্জনের জন্য এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে অবৈধ মামলামাল রেখে পুলিশে ধরিয়ে দিয়ে দলালীর মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।আলীর বন্দর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিনের বাড়ির পুকুরে চোরাই সুন্দরী কাঠ ডুবিয়ে রেখে তাদের মামলায় ফাসানোর ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করেছে এই তনু। এ ব্যাপাওে প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিনের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সে তো অনেক বছর পূর্বেও ঘটনা। উত্তর ঝাড়াখালী গ্রামের অনোয়ার ডাক্তারের বাড়ির পুকুরে ও  তনু চোরাই সুন্দরী কাঠ রেখে পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার ভয়ে দেখিয়ে চাঁদা আদায় করেছে তনু। এ ব্যাপারে অনোয়ার ডাক্তার বলেন ভাই শুধু আামাকেই না ও (তনু) একের পর এক এলাকার লোকদের এভাবে হয়রানী করে আসছে। তার মাকে দিয়ে ও ছেলে মাছুমকে দিয়েও মামলা দিয়েছে। বৃদ্ধা মা মমলা দিতে রাজি না হলে মাকে মারধর করে মামলা দেয়াত এই নরপশু। ছেলের নির্যাতনের ভয়ে মামলা দিত তনুর বৃদ্ধা মা।

তনুর কলঙ্কিত বিবাহঃ
পঞ্চাশোর্ধ বয়সী তনু তার জীবনে ৭ টি বিবাহ করেছেন। মিথ্যা মামলা দিতে রাজি না হওয়ায় নির্মম নির্যাতনের পর একের পর এক স্ত্রীদেরকে তালাক দিয়েছে তনু। তার সপ্তম স্ত্রী রাবেয়া তার অনুগত থেকে এখন মামলা দিচ্ছে। অনুসন্ধান চলছে দেখা যাক মামলাবাজ তনুর মামলার ফিরিস্তি কত বড়।
 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

• রোববার সংসদের ২৩তম অধিবেশন শুরু •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •লন্ডনে গঠিত বঙ্গবন্ধুসহ চার নেতা হত্যার তদন্ত কমিশনকে বাংলাদেশে আসতে ভিসা দেয়া হয়নি •পুলিশের আধুনিকায়নে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে : আইজিপি •একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত.করতে ইসির চিঠি •নির্বাচন কোন অপরাধীর মুক্তির দরকষাকষির বিষয় হতে পারে না : ইনু •ভারতে আটক বাংলাদেশি বাবা-মা থেকে যেভাবে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হচ্ছে সন্তানদের •বাংলাদেশ কমনওয়েলথ ইসি সদস্য নির্বাচিত
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document