/* */
   Wednesday,  Jun 20, 2018   3 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

মুফতি হান্নানসহ তিনজনের ফাঁসি কার্যকর

তারিখ: ২০১৭-০৪-১৩ ০৯:০৭:১৩  |  ১৭০ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আবদুল হান্নান (ফাইল ছবি)

২০০৪ সালে সিলেটে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর গ্রেনেড হামলার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ তিনজনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। এদের দুজনের গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে, অপর একজনের সিলেট কারাগারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।

রাত ১০টা নাগাদ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় বলে কারা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান ও তার সহযোগী শরীফ শাহেদুল বিপুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে।

এই ঘটনায় আরেক অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন রিপনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে সিলেট কারাগারে।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 এর আগে বুধবার সকালে তাদের স্বজনরা তাদের সঙ্গে দেখা করেন।

ছবির কপিরাইট   ২০০৪ সালে সিলেটে হযরত শাহজালালের মাজারে গ্রেনেড হামলার পর ঘটনাস্থলের দৃশ্য

গাজীপুর ও সিলেট থেকে সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, সন্ধ্যা থেকেই উভয় কারাগারের নিরাপত্তা অনেক বাড়ানো হয়েছে। কারাগারের বাইরে পুলিশ ও র‍্যাব সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন। গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রবেশ করেছেন।

রাত ৮টা নাগাদ কাশিমপুর কারাগারে দুইটি অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে দেখা গেছে বলে সংবাদদাতা বলছেন।

২০০৪ সালে বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উপর সিলেটে হযরত শাহজালালের মাজারে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন নিহত হয় আর আনোয়ার চৌধুরীসহ অর্ধশত মানুষ আহত হয়।

এ মামলার রায়ে ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত পাঁচ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মুফতি হান্নান ও শরীফ শাহেদুল বিপুল গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং দেলোয়ার হোসেন রিপন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন।

বিচারিক আদালতের রায় বহাল রাখে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ। এ বছরের মার্চের ১৯ তারিখে ঐ মামলায় মুফতি আব্দুল হান্নানসহ তিনজনকে আপিল বিভাগের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত।

  পুলিশ পাহারায় আদালতে হাজির করা হচ্ছে মুফতি হান্নানকে (ফাইল ফটো)

২২শে মার্চ তাকে কারাগারে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার রায় পড়ে শোনানো হয়।

এরপর ২৭শে মার্চ প্রাণভিক্ষা চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন মুফতি হান্নান। কিন্তু সেই আবেদন নাকচ করে দেন রাষ্ট্রপতি।

মুফতি হান্নানের বিরুদ্ধে যশোরে উদীচির অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, গোপালগঞ্জে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা, একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং রমনা বটমূলে বোমা হামলাসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে।

এর মধ্যে রমনা বটমূলে বোমা হামলার মামলাতেও বিচারিক আদালত তাকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে।

বিবিসি বাংলার 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বেসিক ব্যাংকের দুর্নীতি মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে তলব •খালেদা জিয়ার মাথায় আরো যেসব মামলা ঝুলছে •নিখোঁজ হবার প্রায় চারমাস পর 'গ্রেপ্তার' বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব, চারদিনের রিমান্ডে •ডেসটিনির দুই শীর্ষ কর্তার আবেদন খারিজ •প্রথমে ছেলে, পরে বাপ এসে আমার ওপর নির্যাতন করে' •ঝিনাইদহে সার কারখানা থেকে বিপুল পরিমান সালফিউরিক এ্যাসিড জব্দ, লাইসেন্স বাতিল, জরিমানা •হাইড্রোলিক হর্ন ১৫ দিনের মধ্যে থানায় জমা দিতে হবে : হাইকোর্ট •ঝিনাইদহে ৭ বছর পর রিপন হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডের আদেশ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document