/* */
   Wednesday,  Sep 19, 2018   03:58 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণে কোন বাধা নেই : প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী •একাদশ সংসদ নির্বাচনে এক-তৃতীয়াংশ আসনে ইভিএম •লন্ডনে গঠিত বঙ্গবন্ধুসহ চার নেতা হত্যার তদন্ত কমিশনকে বাংলাদেশে আসতে ভিসা দেয়া হয়নি •প্রধানমন্ত্রী আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পদ্মা সেতুর রেল সংযোগের ফলক উন্মোচন করবেন •কলাপাড়ায় স্লুইস সংস্কার ও রাস্তা মেরামতের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। •নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিএনপির সরকার পদত্যাগের দাবির কোন বাস্তবতা নেই : তথ্যমন্ত্রী •মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসের জন্যই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় : শিল্পমন্ত্রী
Untitled Document

তালতলীর এতিম মঞ্জিল বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে ছাত্রী বিদেশ নেয়র নামে সনদ সহ কাগজ পত্র আটকে রাখার অভিযোগে। শালীসি বৈঠকের মাধ্যমে আদায়

তারিখ: ২০১৭-০৪-২১ ২৩:২৪:২২  |  ২৩৪ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

 
বিশেষ প্রতিনিধি ঃ তালতলীর এতিম মঞ্জিল বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে ছাত্রীর সনদ সহ কাগজ পত্র আটকে রাখার অভিযোগ করেছে  ঐ মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্রী রুমানা আক্তার।  এ ঘটনায় রুমানা তালতলী থানায় আবেদন করলে সকল সুপারদের মাধ্যমে একটি মীমাংসা বৈঠক বসে সকল কাগজপত্র ফেরৎ ও ক্ষতিপূরণ বাবদ রুমানাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে মীমাংসা করে দেয় শালিসগণ। সূত্র জানায়, গেন্ডামারা গ্রামের রুমানা আক্তার তার গ্রামের এতিম মঞ্জিল বালিকা দাখিল মাদ্রাসা হতে ২০১২ সালে জেডিসি ও ২০১৫সালে দাখিল পাশ করে। এর পর রুমানা ও তার পরিবার রুমানাকে  বিদেশ পাঠানোর ইচ্ছা প্রকাশ করলে সুপার নাসির উদ্দিন তাকে সৌদি আরবে মেডিকেল ভিসায় নেয়ার আশ্বাস দিলে রুমানা পাশপোর্ট সহ কাগজপত্র জমা দেয়। রুমানা বলেন, সুপার আমাকে মেডিকেল ভিসা দেয়ার আশ্বাস দেয়। পরে  আমাকে হাউজ ভিসা দেয়ায় আমি বিদেশ যাইনি। সুপার  আমার মূল সনদ ও পাশপোর্ট সহ সকল কাগজপত্র আটকে রাখে। আমি প্রথমে তালতলী উপজেলা নির্বাহি অফিসার ইসরাইল হোসেন বরাবরে আবেদন করলে উপজেলা নির্বাহি অফিসার ছোট ভাইজোড়া দাখিল মাদ্রাসার সহসুপার মাওঃ আবুল কালামের নিকট তদন্ত দিলে তিনি তদন্ত করে লিখিত রেখে আমার আংশিক কাগজ পত্র  ফেরৎ দেয়। দীর্ঘ দিন যাবৎ আমার কাগজপত্র দিতে টালবাহানা করলে আমি আর্থিক ক্ষতি ও হয়রানির শিকার হই। এ সকল বিষয় নিয়ে সুপারের সাথে চরম বিরোধ হলে তিনি আমার স্বামীর পুর্বের স্ত্রীর  সাথে যোগসাজস করে খুলনায় যৌতুক মামলা দিয়ে আমার স্বামীকে তালতলী থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়। আমি সকল কাগজপত্র ফেরৎ সহ সুবিচার চেয়ে তালতলী থানায় আবেদন করলে স্থানীয় মাদ্রাসা সুপারিনটেনডেন্টদের মাধ্যমে মীমাংসা বৈঠক বসে ক্ষতিপুরণ বাবদ নগদ ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে দেয় ও কাগজপত্র ফেরৎ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার নাসিরউদ্দিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।





এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিও ভুক্তির কাজ চলছে : নাহিদ •রাজৈরে স্কুল নির্বাচন সম্পন্ন •আমতলী উপজেলায় প্রাথমিকের ৮০টি প্রধান শিক্ষকের পদ খালি, শিক্ষার বেহাল দশা •ছাত্র বৃত্তি সঠিকভাবে বিতরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর •বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : মেনন •ঝিনাইদহে এবার স্কুল ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে হত্যাচেষ্টা •আমতলীতে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানি প্রতিবাদ করায় মেয়েসহ মামাকে মারধর •ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ সভা
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document