/* */
   Monday,  Jun 18, 2018   5 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়? •রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: ইতিহাসের বিচারে কে চ্যাম্পিয়ন হতে পারে •বাংলাদেশের উপকূলের কাছে রাসায়নিক বহনকারী জাহাজে আগুন •ঈদের যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্র ছাড়াই কাবুলে ঢুকলো তালেবান যোদ্ধারা •বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ঢাকা মহানগরীতে ৪০৯টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত •জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতির ঈদের নামাজ আদায়
Untitled Document

তালতলীর এতিম মঞ্জিল বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে ছাত্রী বিদেশ নেয়র নামে সনদ সহ কাগজ পত্র আটকে রাখার অভিযোগে। শালীসি বৈঠকের মাধ্যমে আদায়

তারিখ: ২০১৭-০৪-২১ ২৩:২৪:২২  |  ২১৫ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

 
বিশেষ প্রতিনিধি ঃ তালতলীর এতিম মঞ্জিল বালিকা দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে ছাত্রীর সনদ সহ কাগজ পত্র আটকে রাখার অভিযোগ করেছে  ঐ মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্রী রুমানা আক্তার।  এ ঘটনায় রুমানা তালতলী থানায় আবেদন করলে সকল সুপারদের মাধ্যমে একটি মীমাংসা বৈঠক বসে সকল কাগজপত্র ফেরৎ ও ক্ষতিপূরণ বাবদ রুমানাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে মীমাংসা করে দেয় শালিসগণ। সূত্র জানায়, গেন্ডামারা গ্রামের রুমানা আক্তার তার গ্রামের এতিম মঞ্জিল বালিকা দাখিল মাদ্রাসা হতে ২০১২ সালে জেডিসি ও ২০১৫সালে দাখিল পাশ করে। এর পর রুমানা ও তার পরিবার রুমানাকে  বিদেশ পাঠানোর ইচ্ছা প্রকাশ করলে সুপার নাসির উদ্দিন তাকে সৌদি আরবে মেডিকেল ভিসায় নেয়ার আশ্বাস দিলে রুমানা পাশপোর্ট সহ কাগজপত্র জমা দেয়। রুমানা বলেন, সুপার আমাকে মেডিকেল ভিসা দেয়ার আশ্বাস দেয়। পরে  আমাকে হাউজ ভিসা দেয়ায় আমি বিদেশ যাইনি। সুপার  আমার মূল সনদ ও পাশপোর্ট সহ সকল কাগজপত্র আটকে রাখে। আমি প্রথমে তালতলী উপজেলা নির্বাহি অফিসার ইসরাইল হোসেন বরাবরে আবেদন করলে উপজেলা নির্বাহি অফিসার ছোট ভাইজোড়া দাখিল মাদ্রাসার সহসুপার মাওঃ আবুল কালামের নিকট তদন্ত দিলে তিনি তদন্ত করে লিখিত রেখে আমার আংশিক কাগজ পত্র  ফেরৎ দেয়। দীর্ঘ দিন যাবৎ আমার কাগজপত্র দিতে টালবাহানা করলে আমি আর্থিক ক্ষতি ও হয়রানির শিকার হই। এ সকল বিষয় নিয়ে সুপারের সাথে চরম বিরোধ হলে তিনি আমার স্বামীর পুর্বের স্ত্রীর  সাথে যোগসাজস করে খুলনায় যৌতুক মামলা দিয়ে আমার স্বামীকে তালতলী থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়। আমি সকল কাগজপত্র ফেরৎ সহ সুবিচার চেয়ে তালতলী থানায় আবেদন করলে স্থানীয় মাদ্রাসা সুপারিনটেনডেন্টদের মাধ্যমে মীমাংসা বৈঠক বসে ক্ষতিপুরণ বাবদ নগদ ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে দেয় ও কাগজপত্র ফেরৎ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার নাসিরউদ্দিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।





এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•জেএসসি-জেডিসিতে কমানো হল ৩ বিষয় •ছাত্র বৃত্তি সঠিকভাবে বিতরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর •বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : মেনন •ঝিনাইদহে এবার স্কুল ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে হত্যাচেষ্টা •আমতলীতে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানি প্রতিবাদ করায় মেয়েসহ মামাকে মারধর •ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ সভা •দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে কোন্দল শুরু হওয়ায় শৈলকুপায় ১২টি প্রাইমারী স্কুলের অভিভাবক নির্বাচন বন্ধ •কলাপাড়ায় শিশুদের সুরক্ষা দাবীতে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document