/* */
   Friday,  Sep 21, 2018   7 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

প্রতিবন্ধী মেয়েদের ঋতুস্রাব বন্ধ করা ও জরায়ু ফেলে দেয়ার ব্যবস্থাও করা হয়’

তারিখ: ২০১৭-০৬-০২ ০০:৪৩:১২  |  ১৪৬ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

বেসরকারি একটি সংগঠন বলছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী মেয়েদের ঋতুস্রাব বন্ধ করারও ব্যবস্থা করেন বাবা-মায়েরা ।

বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী নারীদের সঠিক সংখ্যা কত তার কোনও সরকারি বা বেসরকারি হিসেব নেই।

তবে মোট প্রতিবন্ধীদের একটা বড় অংশই নারী এবং নানাভাবে তারা অবহেলার শিকার। সরকারের কর্মকর্তারাও বলছেন, শুধুমাত্র নারী প্রতিবন্ধীদের জন্য বিস্তর কর্মকাণ্ড নেই , যা আছে তা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই। ফলে আলাদাভাবে নারী প্রতিবন্ধীদের ঋতুস্রাব বা মাসিকের সমস্যাটি নিয়ে কোনও কাজ হয়নি।

প্রতিবন্ধীদের জন্য কাজ করে এমন একটি সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটি ফর চেঞ্জ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাস বা বি-স্ক্যান বলছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী মেয়েদের ঋতুস্রাব বন্ধ করারও ব্যবস্থা করেন বাবা-মায়েরা ।

তারা যেন মা হতে না পারে তেমন পদক্ষেপও নেয়া হয়।

বিবিসি বাংলার শায়লা রুখসানা কথা বলেছিলেন একজন নারীর সাথে যাকে পোলিও আক্রান্ত হওয়ায় নয়মাস বয়স থেকে হুইল চেয়ার ব্যবহার করতে হচ্ছে। তার নাম সালমা মাহবুব।

সালমা মাহবুব বলছিলেন "প্রতিবন্ধী কিশোরীদের বেশিরভাগই চার দেয়ালের মধ্যে থাকে। সেরকম বন্ধুবান্ধব নেই তাদের। ঘরের বাইরে যাওয়া হয়না, পরিবারও মনে করে না তার লেখাপড়ার দরকার আছে। ফলে ওই মেয়ে ঋতুস্রাব সম্পর্কে জানতে পারে না"।

"আবার অনেক সমস্যার মুখেও পড়তে হয়, নানা কটু কথাও শুনতে হয়। অনেকে এটাও বলে এমনিতেই প্রতিবন্ধী তার মধ্যে আবার এসব হচ্ছে"- বলছিলেন সালমা।

প্রতি মাসে মেয়েদের এই ঋতুচক্র সামলানো মায়েদের জন্যও অনেক কঠিন বলে মন্তব্য করেন সালমা। তাঁর মতে, অনেক সময় মা-ও বুঝতে পারেন না কিভাবে তার প্রতিবন্ধী মেয়ের যত্ন করবেন তিনি।

"স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহারের বিষয় থাকে ঋতুস্রাবের সময়। প্রতিবন্ধী নারীদের ধরন অনুযায়ী বিশেষ ধরনের ন্যাপকিনেরও প্রয়োজন আছে আমাদের মনে হয়"।

সালমা মাহবুব বলছিলেন "একজন প্রতিবন্ধী কিশোরী যে একেবারে নিজে কিছু করতে পারে না, সেই সন্তানের মা অনেক কষ্ট পান এবং তিনি মনে করেন যে তার মেয়ের যদি ঋতুচক্র বন্ধ করে দেয়া যায় সেক্ষেত্রে ওর ওপর কোন নির্যাতন হলে সন্তানসম্ভবা হওয়ার সম্ভাবনা থাকবেনা। পাশাপাশি সমাজের চোখেও মেয়ে ছোট হবেনা। এই জায়গা থেকে এ কারণে অনেক সময় ঋতুস্রাব বন্ধ করা বা জরায়ু ফেলে দেয়ার চিন্তা করা হয়"।

"তবে অনেক সময় মনে করা হয় প্রতিবন্ধী নারীর এমন চক্রের কী দরকার ওতো মা হতে পারবে না। প্রতিবন্ধী নারীর যে বিয়ে হতে পারে সেও যে মা হতে পারে এটা কিন্তু অনেকে চিন্তা করতে পারে না। পরিবার থেকেই প্রতিবন্ধী কিশোরীর মনের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া হয় যে তারতো কখনো বিয়ে হবে না"।বিবিসি


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•যুক্তরাজ্যের মানবাধিকার কর্মী জুলিয়ান ফ্রান্সিসের স্বপ্ন পূরণ হলো •কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সহ-সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য বুলেট ও মিরনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ॥ •নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত এমপিওভুিক্তর চেষ্টা করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •তথ্য মন্ত্রণালয়ের ১৩ সংস্থার সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি •কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে ইফতার ও দোয়া-মিলাদ অনুষ্ঠিত •চলচ্চিত্র পরিবারের সাথে তথ্যসচিবের মতবিনিময় •ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মূলধারার গণমাধ্যমকে নিরাপত্তা দেবে
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document