/* */
   Monday,  Jun 25, 2018   9 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস : প্রধানমন্ত্রী •জাতীয় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করুন : রাষ্ট্রপতি •এমপি হোক আর এমপির ছেলে হোক কাউকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল • তিন সিটিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা •নাইজেরিয়ার জয়ে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন বড় হলো •আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নানা কর্মসূচি •টেলিটকের ফোরজির জন্য অপেক্ষা আরো চার মাস
Untitled Document

এটিএম মেশিনের ৫০ বছর

তারিখ: ২০১৭-০৬-২৭ ১৬:৫৩:০৯  |  ১৭৬ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

সোজা বাংলায় একে বলে ‘টাকা তোলার মেশিন’৷ আসল নাম, ‘অটোমেটেট টেলার মেশিন’, সংক্ষেপে এটিএম৷ বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এই মেশিনের বয়স আজ ৫০ বছর পূর্ণ হলো, এটিএমের সুবর্ণজয়ন্তি আজ।

পঞ্চাশ বছর আগে ১৯৬৭ সালের ২৭ জুন প্রথম এটিএম মেশিনটি বসানো হয় লন্ডনে বারক্লেজ ব্যাংকের এনফিল্ডের একটি শাখায়। এই সুবর্ণজয়ন্তিতে এনফিল্ডের আধুনিক সংস্করণের মেশিনটিকে সোনালী বর্ণে রাঙানো হয়েছে।

এটিএম মেশিনের উদ্ভাবক স্কটল্যান্ডের জন শেফার্ড ব্যারন৷ তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নামও। 
১৯২৫ সালের ২৩ জুন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে জন্মগ্রহণ করেন ব্যারন। তার স্কটিশ বাবা উইলফ্রেড শেফার্ড ব্যারন পোর্ট অব লন্ডন অথরিটির অধীনে উত্তরবঙ্গের চিটাগং (বর্তমানে চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ) পোর্ট কমিশনারসের মুখ্য ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। মা ডরোথি ছিলেন অলিম্পিক টেনিস তারকা ও উইম্বলডন মহিলা টেনিসের দু’বারের চ্যাম্পিয়ন। ২০১০ সালে ৮৪ বছর বয়সে স্কটল্যান্ডের রিগমোর হাসপাতাল মৃত্যু হয় ব্যারনের।

এটিএমে চার ডিজিটের পিন কোড নিয়ে একটি মজার গল্প প্রচলিত আছে। বলা হয়, প্রথমে ৬ ডিজিটের পিন দেয়ার কথা ভেবেছিলেন ব্যারন। কিন্তু স্ত্রী ক্যারোলিন বললেন- ৬ ডিজিট মনে রাখা অনেকের ক্ষেত্রে সম্ভব নাও হতে পারে। ব্যস, তাতেই সংখ্যা কমিয়ে চার ডিজিটে আনলেন ব্যারন। সেই থেকে এভাবেই চলছে।

মেশিনটি উদ্ভাবনের পেছনের গল্পটিও বেশ চমকপ্রদ: ১৯৬৫ সালের কোন এক সময় হঠাত্‍‌ টাকার প্রয়োজন পড়ে ব্যারনের। টাকা তুলতে তাড়াতাড়ি তিনি ব্যাংকে ছোটেন। কিন্তু মাত্র এক মিনিট দেরি হওয়ায় পৌঁছার আগেই ব্যাংক বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু তার টাকার খুব দরকার। এই থেকেই ব্যাংকে গিয়ে টাকা তোলার ঝক্কি কীভাবে বিদায় করা যায় সেই চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খেতে শুরু করে। তখন তার মাথায় আসে ভেন্ডিং মেশিনের কথা। ওই ধারণা থেকেই বানিয়ে ফেলেন এটিএম মেশিন।

প্রথম মেশিনটি ভাউচারের সাহায্যে পেমেন্ট করতো, যা আগে থেকেই ব্যাংকে গিয়ে সংগ্রহ করতে হতো। 
এরপর ১৯৬৮ সালে বারক্লেজ এবং অন্যান্য ব্যাংক মিলে কার্ড ব্যবহার করা যায় এমন এটিএম মেশিন বানায়। ব্যাংক কার্ডটি সরবরাহ করতো। একটি কার্ড মাত্র একবার ব্যবহার করা যেতো। কারণ কার্ডটি মেশিনে দেয়ার পর আর বের হতো না।

ভারতবর্ষে জন্ম নেয়া কারো হাতে এটিএম উদ্ভাবিত হলেও এটি এখানে আসে ১৯৮৭ সালে। হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (HSBC) মুম্বাইয়ে প্রথম এটিএম বসায়।

তবে ইদানীং এটিএমের নিরাপত্তা ইস্যুটি ভয়ঙ্করভাবেই সামনে চলে আসছে। হ্যাক করে অথবা কার্ড কপি করে কোটি কোটি টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব করে দেয়ার নজিরও আছে। সম্প্রতি বাংলাদেশেও এটিএম কার্ড কপি করে টাকা তুলে নেয়ার কয়েকটি চক্র ধরা পড়েছে।

তথ্যসূত্র বিবিসি


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বিশ্বব্যাংক প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার দেবে •ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং মান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা •২০২৪ সালের আগেই উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী •রিজার্ভ চুরির ঘটনায় আরসিবিসির বিরুদ্ধে মামলা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক •একনেকে ১৩ প্রকল্পের অনুমোদন •ন্যূনতম ১৬ হাজার টাকা বেতন চান বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শ্রমিকরা •ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানির প্রস্তাব নাকচ •কম্বোডিয়ার সঙ্গে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document