/* */
   Wednesday,  Dec 19, 2018   6 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

হারিয়ে যাচ্ছে শৈলকুপার কুমার নদের তীরে মুসলিম রেনেসাঁর কবি গোলাম মোস্তফার স্মৃতি

তারিখ: ২০১৭-০৮-১২ ১৬:৫৭:৫৩  |  ১৫৮ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

 
জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে কুমার নদের তীরে মনোহরপুর গ্রাম। ১৮৯৭ সালে বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফা শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের জন্ম গ্রহন করেন। এখানেই কবির ভিটাবাড়ী। কিন্তু অযতœ আর অবহেলায় হারিয়ে যেতে বসেছে বাংলা গদ্য সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ অবদান ‘বিশ্বনবী’ গ্রন্থের রচিয়তার জন্মভিটা। ১৯১৪ সালে শৈলকুপা হাইস্কুল  থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯১৬ সালে খুলনা দৌলতপুর কলেজ থেকে আইএ পাশ করেন কবি গোলাম মোস্তফা।

কোলকাতার রিপন কলেজ থেকে ১৯১৮ সালের বিএ পাশ করেন এবং ১৯২০ সালে ভারতের  চব্বিশ পরগনা জেলার ব্যারাকপুর সরকারী হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেন। পরে ডেভিট হেয়ার ট্রেনিং কলেজ থেকে বিটি পাশ  করে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পেয়ে ফরিদপুর জেলা স্কুলে ১৯৪৬ সালে যোগদান করেন এবং ১৯৫০ সালে সরকারী চাকুরী হতে অবসর গ্রহন করেন তিনি। গীত রচনা, কাব্য, উপন্যাস, জীবনী অনুবাদ সহ বাংলা সাহিত্যের সকল শাখায় তার পদচারণা ছিল।

১৯১৩ সালে দশম শ্রেণীর ছাত্র থাকাবস্থায় ‘মাসিক মোহাম্মদী’ পত্রিকায় তার প্রথম লেখা ‘আদ্রিয়ানোপল উদ্ধার’ কবিতা প্রকাশিত হয়। কবি গোলাম  মোস্তফা ‘মুসলিম রেনেসাঁর কবি’ হিসাবে বাংলা সাহিত্যে বিশিষ্টতার দাবিদার বলে অখ্যায়িত। কবি গোলাম মোস্তফার অন্যতম গদ্য সাহিত্য ‘বিশ্বনবী’ গ্রন্থখানি শ্রেষ্ঠ অবদান। ১৯৪৭ সালের প্রকাশিত হয় ইসলাম ও জ্বেহাদ, ইসলাম ও কম্যুনিজম গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে। এছাড়া ১৯৪২ সালে ‘মরু দুলাল’ এবং ‘বিশ্বনবী’ ও এসময় প্রকাশিত হয়।

এছাড়াও বেশ কয়েকটি নাটক ও বই রয়েছে তার রচিত। ,গ্রামের যুব সমাজ কবি গোলাম মোস্তফা স্মৃতিপাঠাগার ও সাংস্কৃতি সংঘ নামে সেখানে একটি সংগঠন গড়ে তুলেছে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সেখানে একটি লাইব্রেরী করা হয়েছে। প্রতি বছর কবির জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কিছু অুনষ্ঠান হয়ে থাকলেও অযতœ আর অরক্ষিত অবস্থায় রয়ে গেছে কবির বসবাসের মূল পিতৃ ভিটাবাড়ি।

কবির পিতৃ ভিটাবাড়িটি রক্ষায় সরকারী কিংবা বেসরকারী ভাবে কেহ এগিয়ে আসেনি। এই ভিটাবাড়িটি সহ কবির স্মৃতি ধরে রাখতে সরকারী কোন দৃষ্টি না পড়লেও শৈলকুপাবাসী তার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য  মনোহরপুর ও পাশ্ববর্তী হিতামপুর গ্রামে কবির নামে ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেছেন। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কবির বাড়িও ¯মৃতি বিজড়িত বৈঠকখানা ও  গ্রাম দেখতে এসে ভোগান্তির স্বীকার হয় দর্শনার্থীরা।



এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•আইপিইউ এসেম্বলী শেষে জেনেভা থেকে দেশে ফিরলেন স্পিকার •কলাপাড়ায় টিয়াখালী ইউনিয়নের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষনা ॥ •নবম ওয়েজ বোর্ডের কার্যক্রম শুরু •খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ •ফিলিপাইনে ঝড়ের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩ •শেখ হাসিনাকে ‘বোন’ ডাকলেন হুন সেন •কবিসংসদ বাংলাদেশ-এর ২৯৯তম সাহিত্যসভা অনুষ্ঠিত •বার্মায় মুসলিম বিরোধী এক উগ্র বৌদ্ধ ভিক্ষুর কথা
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document