/* */
   Friday,  Jun 22, 2018   11:16 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •সিসিলিতে ৫২২ অভিবাসী নিয়ে ইতালির উপকূলরক্ষী জাহাজের অবতরণ •সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি তথ্য সচিবের আহ্বান •বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী •মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপান ৩৪ কোটি টাকার অনুদান দেবে •সৌদি আরবকে হারিয়ে রাশিয়াকে নিয়ে শেষ ষোলোতে উরুগুয়ে •গণভবনে মহিলা ক্রিকেটারদের প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা •প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার অক্টোবরে গঠিত হতে পারে : ওবায়দুল কাদের
Untitled Document

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা হিন্দু শরণার্থীরা কী বলছেন?

তারিখ: ২০১৭-০৯-০২ ১৬:৪২:১৮  |  ১২২ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের কাছে একদল রোহিঙ্গা শরণার্থী

কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের কাছে একটি মন্দিরের পাশে একটি খোলা জায়গায় এসে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় পাঁচশো রোহিঙ্গা হিন্দু নারী-পুরুষ-শিশু।

মিয়ানমারের রাখাইনে এখন যে ব্যাপক সহিংসতা চলছে, এরাও তার শিকার হয়ে সেখান থেকে পালিয়ে এসেছেন।

রোহিঙ্গা মুসলিমরা হাজারে হাজারে রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিলেও এই প্রথম রোহিঙ্গা হিন্দুদের সেখান থেকে পালিয়ে আসতে দেখা গেল।

কুতুপালং এর মন্দিরে আশ্রয় নেয়া কয়েকজন রোহিঙ্গা হিন্দু নারী-পুরুষ বিবিসির কাছে বর্ণনা করেছেন কেন তারা সেখান থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

যে হিন্দু গ্রামটি সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার হয়েছে সেটির নাম ফকিরাবাজার।

দেনাবালার বাড়ি ছিল এই ফকিরাবাজার গ্রামে।

তিনি বলছিলেন অনেক দুঃখে সেখান থেকে তারা পালিয়ে এসেছেন।

"আমাদের গুলি করেছে। ঘরবাড়ী পুড়িয়ে দিয়েছে। ভাত-পানি খেতে দেয়নি। আমরা হিন্দু মানুষ। আমাদের মেরেছে-কেটেছে। আমাদের মন্দির পুড়িয়ে দিয়েছে। সেই জন্য আমরা চলে এসেছি। এক গ্রাম থেকেই আমরা চারশো জনের মতো এসেছি। যারা মারতে এসেছিল, ওরা কালো পোশাক পরে এসেছিল। ওদের চিনি না। শুধু চোখ দেখা যাচ্ছিল।"

বকুলবালা নামে আরেক শরণার্থী জানান, ফকিরাবাজার থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে চিকনছড়িতে ছিল তার বাড়ি। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছিলেন ফকিরাবাজারে। তার স্বামী মেয়েকে দেখার জন্য ফকিরাবাজার যান। সেখানে তার স্বামী, মেয়ে এবং নাতি সবাই নিহত হয়েছে।

"সেখানে সব মানুষকে কেটে ফেলেছে। সেখানে আমার মেয়েকে কেটে ফেলেছে। আমার মেয়েকে দেখতে গিয়েছিল আমার স্বামী। আমার স্বামীকেও কেটে ফেলেছে। আমার নাতি ছিল। তাকেও কেটে ফেলেছে।"

হামলাকারীদের চিনতে পেরেছিলেন কিনা, এই প্রশ্নের উত্তরে বকুলবালা বলেন, কালো পোশাকে আবৃত থাকায় তাদের চেনা যাচ্ছিল না।

"কালো কালো পোশাক পরে ওরা এসেছিল। চোখ ছাড়া আর কিছু দেখা যায় না। চিনতে পারিনি। ওরা কাটছিল, মারছিল, গুলি করছিল। সবাইকে মেরে ফেলেছে। ওরা কখনো বার্মিজ ভাষায় কথা বলছিল, কখনো বাংলা বলছিল। ওদের হাতে অনেক ধারালো অস্ত্র ছিল। চিকনছড়িতে যখন ওরা এসে পৌছায়, তার আগেই আমরা পালিয়ে যাই"

শিবকুমার নামে আরেকজন জানিয়েছেন, তার মা বাবা খালা সবাইকে হামলাকারীরা মেরে ফেলেছে।

"হিন্দু মুসলমান সবাইকে মেরেছে। গুলি করেছে। ওরা কালো পোশাক পরা ছিল। আমি চিনি না। চারিদিক থেকে ঘেরাও করে আমাদের মারছে। হিন্দু মুসলমান সবাই এক সঙ্গে পালিয়ে এসেছি।বিবিসি বাংলা"


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•এসডিজি অর্জনে দেশকে জঙ্গি, মাদক ও জলদস্যু-বনদস্যু মুক্ত করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী •একনেকে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের অনুমোদন •সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের সাথে স্পিকারের সাক্ষাৎ •বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ভাষণে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন •আমরা কর্মবিমুখ জাতি গড়তে চাই না : প্রধানমন্ত্রী •পড়ালেখা করে মানুষ হতে হবে : তথ্যমন্ত্রী •ইলদিরিমের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ •সরকারি কর্মচারী গ্রেফতারে অনুমতি লাগবে না দুদকের ফৌজদারি মামলায় চার্জশিট গৃহীত না হলে গ্রেফতার করা যাবে না
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document