/* */
   Thursday,  Jul 19, 2018   01:46 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে তার সংস্থা সবরকম সহায়তা করবে : আইওএম মহাপরিচালক •মন্ত্রিসভায় মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক খসড়া আইন অনুমোদিত •নির্বাচন কোন অপরাধীর মুক্তির দরকষাকষির বিষয় হতে পারে না : ইনু •পুতিনের সাথে বৈঠককে ‘অত্যন্ত চমৎকার সূচনা’ বলে অভিহিত করলেন ট্রাম্প •বাংলাদেশে গার্মেন্ট শ্রমিকরা চান ১২ হাজার, মালিকরা দিতে চান এর অর্ধেক •কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সহ-সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য বুলেট ও মিরনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ॥ •দোয়া মোনাজাত ও দুস্থ প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাবার বিতরন ॥ কলাপাড়ায় বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যান পরিষদের অভিষেক ॥
Untitled Document

ঝিনাইদহে এবার স্কুল ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে হত্যাচেষ্টা

তারিখ: ২০১৭-১১-০৫ ০১:১৭:২৩  |  ১১২ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

 
  ঝিনাইদহঃদেড় বছর ধরে প্রেম। প্রেমের সুত্র ধরে অনেক স্থানে ঘোরাঘুরি। অতপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঝিনাইদহে ডেকে আনা হয় স্কুল ছাত্রী জলি খাতুন (১৫) কে। এরপর শহরের চাকলাপাড়ায় প্রেমিক আজিজুল হাকিমের বাড়িতে নিয়ে বিয়ের পরিবর্তে নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে জলিকে মারধর করার পর মুখে বিষ ঢেলে দেয় প্রেমিক আজিজুল হাকিম, বোন নাসিমা খাতুন ও চাচাতো ভাই আল-আমিন। মুমুর্ষ অবস্থায় তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ফেলে রেখে চলে যায়। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে শনিবার বিকালে এ ভাবেই তার উপর নির্যাতনের কথা বর্ননা করেন মাগুরার হাজিপুর ইউনিয়নের নড়িহাটি গ্রামের আলতাফ বিশ্বাসের মেয়ে জলি খাতুন। সে আগামী বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন নিবে। জলি খাতুন অভিযোগ করে ঝিনাইদহ শহরের চাকলাপাড়ার গোলাম মোস্তফার ছেলে আজিজুল হাকিমের সাথে তার প্রেম হয় মোবাইলে। দীর্ঘ দেড় বছর ধরে চলে আসছে তাদের সম্পর্ক। সম্পর্কের সুত্র ধরে মাগুরা ও ঝিনাইদহ শহরের অনেক পার্কে ঘোরাঘুরি করেছে।

৩/৪ দিন আগে আজিজুল মোবাইল করে ডেকে আনে জলি খাতুনকে। চাকলাপাড়ার বাড়িতে আসার পর বিয়ের পরিবর্তে তার উপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়। আজিজুলের বোন নাসিমা খাতুন ও চাচাতো ভাই আল-আমিন জলির মাথায় আঘাত করে। সে অচেতন হয়ে পড়লে তার মুখে বিষ ঢেলে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। এরপর ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়। জলি খাতুন আরো জানায়, সে নিজে বিষ পান করেনি। তকে জোর করে মুখে ঢেলে দেওয়া হয়েছে। সে এই ঘটনার বিচার চাই। জলির মা সহিদা খাতুন বলেন, তার মেয়েকে এ ভাবে নির্যাতনের পর তানা পুলিশ না করতে হুমকী দেওয়া হয়েছে। এখন তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। হুমকী দেওয়ার কারণে তারা মামলাও করতে পারছেন না। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বিষয়টি মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা ঝিনাইদহ ইউনিটকে জানানো হয়েছে। প্রেমিক আজিজুল হাকিমের সাথে কথা বলতে তার ০১৯৪১-৯৪৮০৩৮ মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিল করেন নি। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ডিউটি অফিসার এএসআই শিল্পী খাতুন জানান, শনিবার বিকাল পর্যন্ত তাদের কাছে কেও অভিযোগ করেনি।

 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•রাজৈরে স্কুল নির্বাচন সম্পন্ন •আমতলী উপজেলায় প্রাথমিকের ৮০টি প্রধান শিক্ষকের পদ খালি, শিক্ষার বেহাল দশা •জেএসসি-জেডিসিতে কমানো হল ৩ বিষয় •ছাত্র বৃত্তি সঠিকভাবে বিতরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর •বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : মেনন •আমতলীতে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানি প্রতিবাদ করায় মেয়েসহ মামাকে মারধর •ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ সভা
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document