/* */
   Wednesday,  Sep 26, 2018   02:57 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

বাংলাদেশের ঢাকায় কিভাবে কাটে তরুণীদের অবসর সময়?

তারিখ: ২০১৮-০৬-১৬ ২৩:২২:৩২  |  ৮০ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

বাংলাদেশের তরুণীরা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমেই তাদের অবসর বেশি কাটে

বাংলাদেশের ঢাকায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কয়েক লাখ তরুণী চাকরি করেন। তাদের অনেকে ঢাকায় যেমন পরিবারের সঙ্গে থাকেন, আবার অনেকে একাই বসবাস করছেন।

কিন্তু নিয়মিত চাকরির বাইরে কেমন তাদের অবসর জীবন? এত বড় একটি শহরে তাদের বিনোদনের কতটা সুযোগ রয়েছে?

ঢাকায় নানা সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে কয়েক লাখ তরুণী চাকরি করছেন। কিন্তু অফিস আর বাসার নিয়মিত রুটিনের বাইরে তারা কি করেন?

ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন আমেনা আখতার। তিনি ভালো আয় করেন, কিন্তু বলছেন, নিজের বিনোদনের কথা চিন্তা করার সময় তাকে পারিবারিক অনুশাসন আর সমাজের কথাও চিন্তা করতে হয়।

তিনি বলছেন, ''আমার একজন স্বাধীনতা মতো, নিজের ইচ্ছামতো নিরাপদে ঘুরবো ফিরবো সেটা এখানে সম্ভব না। যেমন হয়তো অফিসের পর বন্ধুদের সাথে ঘুরলাম, এরপর রাত ৯টা বা ১০টায় বাসায় ফিরে বিশ্রাম নিলাম, যাতে আমার রিফ্রেশমেন্টও হল, ঘোরাফেরাও হল আবার কাজও হল, কিন্তু এই ঢাকাতে সম্ভব না।''

এর কারণ হিসাবে তিনি বলেন ''আমি যে সোসাইটিতে থাকি, সেখানে রাত ১০টার সময় যদি কোন মেয়ে বাসায় যায়, তখন অনেক কথা উঠবে। এজন্য সেটা সম্ভব হচ্ছে না। তাই মেয়েদের স্বাধীনতার জন্য সমাজেরও পরিবর্তন দরকার।''

বাংলাদেশের তরুণীরা বলছেন, ঘুরে বেড়ানো বা রেস্তোরায় খাওয়া তাদের বিনোদনের অন্যতম উপায়Image captionবাংলাদেশের তরুণীরা বলছেন, ঘুরে বেড়ানো বা রেস্তোরায় খাওয়া তাদের বিনোদনের অন্যতম উপায়

ঢাকার তরুণী চাকরিজীবীরা বলছেন, ঢাকায় চলাচলের সমস্যা, যানজট আর নিরাপত্তা অভাবের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের ঘরে সামাজিক মাধ্যমে বা টেলিভিশন দেখে সময় বেশি কাটে। তার বিবাহিত তরুণীদের অফিসের বাইরে সংসার সামলাতে অনেক সময় কেটে যায়।

তাহেরা সুলতানা নামের একজন তরুণী বলছেন, ''একজন ছেলের মতো আমরা ইচ্ছা করলেই বাইরে যেতে বা ঘুরাফিরা করতে পারছি না। এ কারণেই সামাজিক মাধ্যম গুলোতেই আমাদের বেশি সময় কাটছে। এর মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করেই বেশিরভাগ সময় কাটে।''

অনেকে শপিং মলে ঘুরে বেড়াতে বা কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন। এর বাইরে তাদের কাটানোর আরেকটি উপায় কোন উপলক্ষ ধরে রেস্তোরায় খাওয়া দাওয়া করা।

আমেনা আখতার যেমন বলছেন, ''অনেক সময় পরিবার বা বন্ধুদের কেউ বলে, ভালো লাগছে না, চলো কোথাও থেকে ঘুরে আসি। কিন্তু কোথায় ঘুরতে যাবো? পার্কের যে অবস্থা, সেখানে তো যাওয়া যায় না। নিরাপত্তার অভাব। তখন চিন্তা করি, একটা ভালো রেস্তোরায় গিয়ে আজ একজন খাওয়াচ্ছে, কাল আরেকজন। এটাই যেন এখন আমাদের সবচেয়ে বড় বিনোদন হয়ে দাঁড়িয়েছে।''

তবে একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী কানিজ ফাতেমা বলছেন, মেয়েদের জন্য ঢাকার মতো একটি মহানগরীতে আরো কিছু সুযোগ সুবিধা থাকা উচিত।

তিনি বলছেন, ''এরকম যদি কোন জায়গা বা সংস্থা থাকতো, যেখানে গিয়ে মেয়েরা ছেলেদের মতো সময় কাটাতে পারবে, যেমন টেনিস, ব্যাডমিন্টন বা গলফ খেলতে পারবে, তাহলে খুব ভালো হতো। ঢাকায় যে দুই একটি ক্লাব রয়েছে, সেখানে সবাই যেতে পারে না বা অনেকগুলো মেয়েদের জন্য নিরাপদও না। তাই সবার জন্য এরকম জায়গা হলে অনেকে যেতে পারতো।''

এসব ক্ষেত্রে সমাজের মনোভাবেরও পরিবর্তন দরকার বলে তিনি মনে করেন।

সমাজবিজ্ঞানী সামিনা লুৎফাছবির কপিরাইট   সমাজবিজ্ঞানী সামিনা লুৎফা বলছেন, গত দুই দশকের তুলনায় বিনোদনের বিষয়ে নারীদের মনোভাবের অনেক পরিবর্তন হয়েছে

সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে, গত দুই দশকের তুলনায় বাংলাদেশের মেয়েদের সামাজিক অবস্থানের যেমন অনেক পরিবর্তন হয়েছে, তেমনি তাদের অবসর বা সময় কাটানোর ধরনেরও অনেক পরিবর্তন এসেছে।

সমাজবিজ্ঞানী সামিনা লুৎফা বলছেন, এক সময় বই পড়া বা সপ্তাহে একদিন সিনেমা দেখার মধ্যে যে বিনোদন সীমাবদ্ধ ছিল, তা এখন গণ্ডি পেরিয়ে দেশের ভেতরে বাইরে ভ্রমণেও রূপান্তরিত হচ্ছে।

সামিনা লুৎফা বলছেন, ''গত দুই দশকে মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত নারীরা অনেক বাইরে এসেছে। অবসর নিয়ে তাদের ধারণাও অনেক পাল্টে গেছে। অনেকে হয়তো কর্পোরেট চাকরি শেষে, যানজট ঠেলে আসা যাওয়ার পর বিনোদনের ইচ্ছাটাও থাকে না। আবার নিরাপত্তারও অনেক অভাব আছে। তারপরেও নিজের বিনোদন নিয়ে নারীদের মনোভাবের অনেক পরিবর্তন হয়েছে।''

''হয়তো আমাদের দেশে ক্লাব, পাব এগুলো সে অর্থে নেই বা যা আছে, তাও হাতেগোনা উচ্চবিত্তদের গণ্ডির মধ্যে। কিন্তু সেটাই তো একমাত্র বিনোদন নয়।''

সামিনা লুৎফা বলছেন, ''আগে যেমন শুধু সিনেমা দেখতে যাওয়া ছাড়া বা ব    না।''

সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, একটি মহানগরী হিসাবে ঢাকার বাসিন্দাদের বিনোদনের যেসব সুযোগসুবিধা থাকা উচিত তার অনেক কিছুই হয়তো এখনো পর্যাপ্ত নয়, আর মেয়েদের জন্য তা আরো অপ্রতুল। তবে তাদের মতে, ধীরে হলেও সেই অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে।বিবিসি 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•বেশি ঘাম হলে মেনে চলুন কিছু টিপস •'রুয়েটের দুই মেধাবী বন্ধু প্রাণীজগতকে ক্যামেরায় বন্দির অদ্ভুত কাণ্ডকীর্তি রহস্য' •ওজন বাড়ানোর সহজ উপায় •কর্মীদের যৌন হেনস্থার ঘটনা চেপে রাখতে চায় অনেক প্রতিষ্ঠান? • ধূমপান ও মদ্যপানের নেশা ত্বকের ক্ষতি করতে পারে নানাভাবে • গরমে সবজি ও ফলমূল দিয়ে তৈরি করে নিন শরবত। • ৬টি মেয়েলি অভ্যাস পুরুষের , যা ধরিয়ে দিলেই রেগে যায়
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document