/* */
   Tuesday,  Dec 18, 2018   01:40 AM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সজাগ থাকতে সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান •মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল ইসিতে খারিজ •মনোনয়ন না পাওয়া দলের প্রার্থীদের মহাজোট প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ শেখ হাসিনার •নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পকে ‘রাজনৈতিক’ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া •টেকনোক্রেট কোন মন্ত্রী কেবিনেটে থাকছেন না : ওবায়দুল কাদের •বেগম রোকেয়া দিবস কাল •আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ . বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ
Untitled Document

আমতলী উপজেলায় প্রাথমিকের ৮০টি প্রধান শিক্ষকের পদ খালি, শিক্ষার বেহাল দশা

তারিখ: ২০১৮-০৭-০১ ২৩:৪২:৩১  |  ৮২ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

 
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।।
আমতলী উপজেলায় ১৫২ টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮০ টি বিদ্যালয়ের ৮০ জন প্রধান শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিপুল সংখ্যক প্রধান শিক্ষকের পদ খালি থাকায় আমতলী উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষায় চলছে বেহাল দশা।
আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, আমতলী উপজেলায় ১৫১টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ১৫২ জন প্রধান শিক্ষক ও ৬২৬ জন সহকারী শিক্ষক সহ মোট শিক্ষক থাকার কথা ৭৭৭ জন। আছে ৬৭৯ জন। এর মধ্যে ৮০ জন প্রধান শিক্ষক ও ১৮ জন সহকারী শিক্ষক সহ ৯৮ জন শিক্ষকের পদ খালী দির্ঘদিন ধরে। যে সকল বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই ওই সকল বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে বিদ্যালয়গুলো। এতে সংকটের সমাধান না হয়ে দ্বিমুখী সংকট তৈরী হচ্ছে। একদিকে ক্লাশে পাঠদানে শিক্ষক সংকট অন্যাদিকে ভারপ্রাপ্তরা সঠিক ভাবে তাদের সহকর্মীদের নিয়ন্ত্রন করতে না পাড়া। ফলে ধীরে ধীরে এসকল বিদ্যালয়গুলোতে লেখা পড়ার মান নি¤œমুখী হচ্ছে।
উপজেলার পূর্ব তক্তাবুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষকের বিপরীতে মাত্র ২ জন শিক্ষক রয়েছে। প্রধান শিক্ষকসহ একজন সহকারীর পদ খালী দীর্ঘদিন ধরে। ১ জন পিটিআইতে থাকায় বর্তমানে ২ জন শিক্ষক রয়েছে। ১ জন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রায়ই তাকে অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। এসময় ১ জন শিক্ষকে ক্লাশ নিতে হয়। ১জন শিক্ষক ক্লাশ পরিচালনা করেন। ১জন শিক্ষক ৫টি ক্লাশে লেখা পড়া করাতে গিয়ে কোন লেখা পড়াই হয় না।
অন্যদিকে আমতলী উপজেলায় রয়েছে ভবন সংকট। প্রায় অর্ধশতাধিক ভবন রয়েছে ঝুঁকি পূর্ন অবস্থায়। ধীর্ঘ দিন ধরে এসকল ভবনের কোন সংস্কার না করায় ভবনগুলো এতই ঝুঁকিপূর্ন যে এর ভিতরে এখন ক্লাশ করা সম্পূর্ন বন্ধ রয়েছে। ফলে ওই সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিরুপায় হয়ে খোলা আকাশ কিংবা অন্য বাড়ির বারান্দায় ক্লাশ নিচ্ছেন। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, আমতলীর মধ্য টেপুরা ও হরিদ্রা বাড়িয়া,গাজীপু বন্দর, বেগম নূরজাহান, উত্তর সোনাখালী, মধ্য চন্দ্রা মাঝেদিয়া চর চিলা, পূর্ব তারিকাটা এসটি, মধ্য আরপাঙ্গাশিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনগুলো জরাজীর্ন। এসকল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভবনের অভাবে খোলা আকাশের নীচে ক্লাশ করছে। বৃষ্টি আসলে গাছ তলা কিংবা অন্যবাড়ির বারান্দায় আশ্রয় নেন বলে জানালেন কয়েকজন প্রধান শিক্ষক।
আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মজিবুর রহমান জানান, প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরনের জন্য তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। খুব দ্রুত তাদের পদায়নের মধ্যে দিয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ পূরন করা হবে। অন্যদিকে যে সকল ভবন জরাজীর্ন রয়েছে সে গুলোর ভবন নির্মানের জন্য বরাদ্ধ চাওয়া হয়েছে। টাকা পাওয়া গেলে ভবনগুলো দ্রুত নির্মান করা হবে।  
 


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমপিও ভুক্তির কাজ চলছে : নাহিদ •রাজৈরে স্কুল নির্বাচন সম্পন্ন •ছাত্র বৃত্তি সঠিকভাবে বিতরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর •বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য ইশারা ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : মেনন •ঝিনাইদহে এবার স্কুল ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে হত্যাচেষ্টা •আমতলীতে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানি প্রতিবাদ করায় মেয়েসহ মামাকে মারধর •ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ সভা
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document