/* */
   Saturday,  Aug 18, 2018   2 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রমিজ উদ্দিন কলেজের নিকটে আন্ডারপাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন •লন্ডনে গঠিত বঙ্গবন্ধুসহ চার নেতা হত্যার তদন্ত কমিশনকে বাংলাদেশে আসতে ভিসা দেয়া হয়নি •প্রধানমন্ত্রী আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পদ্মা সেতুর রেল সংযোগের ফলক উন্মোচন করবেন •কলাপাড়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁসের নেপথ্যে কোচিং বানিজ্য ॥ •কলাপাড়ায় স্লুইস সংস্কার ও রাস্তা মেরামতের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। •নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিএনপির সরকার পদত্যাগের দাবির কোন বাস্তবতা নেই : তথ্যমন্ত্রী •মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংসের জন্যই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় : শিল্পমন্ত্রী
Untitled Document

বাংলাদেশে গার্মেন্ট শ্রমিকরা চান ১২ হাজার, মালিকরা দিতে চান এর অর্ধেক

তারিখ: ২০১৮-০৭-১৭ ০০:৫০:০৩  |  ৪৩ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

তৈরি পোশাক শিল্পে বর্তমানে একজন নতুন শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ৫৩০০ টাকা

বাংলাদেশে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিজেদের আগের দাবী থেকে সরে এসেছেন শ্রমিকেরা। এখন তারা ন্যূনতম মজুরি হিসেবে ১২ হাজার ২০ টাকা দাবী করেছেন। এর আগে তাদের দাবি ছিল ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকা।

যদিও এর সাথে দ্বিমত করছে কিছু কিছু শ্রমিক সংগঠন। এছাড়া মজুরি বোর্ডের কাছে মালিকেরা ন্যূনতম মজুরি প্রস্তাব করছেন ৬,৩৬০ টাকা।

এ বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নতুন করে নির্ধারণের জন্য একটি মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়। সে বোর্ডের তৃতীয় বৈঠকে আজ মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা ন্যূনতম মজুরি হিসেবে নিজেদের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

এতে দেখা যায় শ্রমিকদের প্রতিনিধি ১২ হাজার ২০ টাকা ন্যূনতম মজুরি হিসেবে প্রস্তাব করেছেন। মজুরি বোর্ডে নির্বাচিত শ্রমিক প্রতিনিধি বেগম শামসুন্নাহার ভুঁইয়া বলছেন, আগের মজুরি বোর্ডের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে তিনি এ প্রস্তাব করেছেন।

"শ্রমিক ফেডারেশনগুলোর ভিন্ন ভিন্ন মজুরির দাবি ছিল। কারো ছিল ১৬ হাজার টাকা, আবার কারো ১৮ হাজার টাকা। আমি সার্বিক বিষয় চিন্তা করে ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ২০ টাকা প্রস্তাব করেছি।"

"আমি হিসাব করেছি ২০১০ সালে শ্রমিকদের দাবী কত টাকা ছিল, আর কত টাকা পেয়েছে, আর ২০১৩ সালে দাবী কত টাকা ছিল আর কত টাকা পেয়েছে। এখন আমি ১৬ হাজার টাকা দাবি করলাম, কিন্তু পাওয়ার সময় যদি সেটা এক তৃতীয়াংশ হয়ে যায়, তাহলে সমস্যা হবে। সেজন্য আমি ১২ হাজার টাকা প্রস্তাব করেছি।"

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:

যে শ্রমিকদের সর্বনিন্ম মজুরী সবচেয়ে বেশি

ন্যূনতম ১৬ হাজার টাকা বেতন চান পোশাক শ্রমিকরা

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পছবির কপিরাইট নতুন ওয়েজ বোর্ডে শ্রমিক সংগঠনগুলো এবং মালিকরা আলাদা নিম্নতম মজুরি দাবি করেছেন

মিসেস ভুঁইয়া জাতীয় শ্রমিক লীগের নারীবিষয়ক সম্পাদক। এই মূহুর্তে তৈরি পোশাক শিল্পে একজন নতুন শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ৫,৩০০ টাকা, যা ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হয়। এর মধ্যে মূল মজুরি ৩ হাজার টাকা, বাড়ি ভাড়া ১২০০ টাকা এবং চিকিৎসা, যাতায়াত ও খাদ্য ভাতা ১১০০ টাকা।

এদিকে, মিসেস ভুঁইয়ার ১২ হাজার ২০টাকা ন্যূনতম মজুরির প্রস্তাবের সাথে দ্বিমত করছে কিছু শ্রমিক সংগঠন।

মজুরি বোর্ড গঠনের আগে থেকেই শ্রমিকদের একটি বড় অংশ ১৬ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি দাবি করে আসছিলেন।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার বলছেন, আজ শ্রমিক প্রতিনিধি যে প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন, তার সাথে পোশাক শ্রমিকদের বড় অংশ একমত হবে না। ফলে ১৬ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

তিনি বলেন, "আমরা মনে করি শ্রমিকদের মজুরি এখন ১৬ হাজার টাকাও যথেষ্ঠ না, কারণ বাজারে সব জিনিসের দাম যেভাবে বেড়েছে, আর আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী একজন শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি যা হওয়া উচিত কোনটাই শ্রমিকেরা পাচ্ছেন না। ফলে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।"

এদিকে, পোশাক মালিকেরা আরো কম ন্যূনতম মজুরি দিতে চান।

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পছবির কপিরাইট কাজে যোগ দেবার জন্য লাইন দিয়েছেন পোশাক শ্রমিকরা

মজুরি বোর্ডে মালিকদের প্রতিনিধি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলছেন, তারা ন্যূনতম মজুরি ৬,৩৬০টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

তিনি দাবি করেছেন, শ্রমিকদের বর্তমান ন্যূনতম মজুরি এবং পোশাক শিল্পের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় নিয়েই তারা এমন প্রস্তাবনা দিয়েছেন, যা বাস্তবায়নযোগ্য।

"আমরা ৬,৩৬০ টাকা প্রস্তাব করেছি। আমরা বিবেচনা করেছি গত পাঁচ বছরে মূল্যস্ফীতি কতটুকু হয়েছে। এখন তারা বেশি দাবি করেছে, দাবি করলেই তো হবে না, তাকে যুক্তি দিয়ে বোঝাতে হবে কেন তারা এমনটা চাচ্ছে।"

"তবে, তাদের প্রস্তাব তারা দিয়েছে, আমাদেরটা আমরা দিয়েছি। এখন মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান আছেন, নিরপেক্ষ সদস্য, স্থায়ী সদস্য আছেন, সবাই মিলে যেটা পারি, সেটাই নির্ধারণ করবো।"

এ বছরের জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা অক্সফাম এক প্রতিবেদনে বলেছে, বিশ্বের সাতটি প্রধান তৈরি পোশাক উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের শ্রমিকদের মজুরিই সবচেয়ে কম।

অক্সফ্যামের রিপোর্টটিতে বলা হয়, বাংলাদেশে একজন সাধারণ মানুষের খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার জন্য নিম্নতম মজুরি প্রয়োজন ২৫২ মার্কিন ডলারের সমান অর্থ। কিন্তু এই মুহূর্তে বাংলাদেশের একজন শ্রমিক মজুরি পান প্রায় ৬৭ মার্কিন ডলারের সমান অর্থ। বিবিসি বাংলা


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•সিঙ্গাপুরের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে : তোফায়েল •শ্রেণীকৃত ব্যাংক ঋণ ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী •জুলফিকার আজিজ সিপিএ চেয়ারম্যান নিযুক্ত •বাংলাদেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে কম্বোডিয়ার ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর •অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশী পণ্য রপ্তানি বাড়লে উভয় দেশের বাণিজ্য অনেক বাড়বে বলে জানালেন তোফায়েল •চাল ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে ঝিনাইদহে চালের বাজার অস্থির, দিনমজুর ও মধ্যবিত্তদের নাভিশ্বাস! •জলবায়ু পরিবতর্নের প্রভাব মোকাবেলায় উন্নত দেশগুলোর সহযোগিতা চেয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document