/* */
   Thursday,  Oct 18, 2018   3 PM
Untitled Document Untitled Document
শিরোনাম: •পবিত্র আশুরা উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : আছাদুজ্জামান মিয়া •বান্দরবানে কৃষি ব্যাংকের উদ্যোগে সিংগেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণ •সৌদি আরবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রথম বিদেশ সফর •জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ •রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি •মর্যাদার লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান •সংসদে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০১৮ পাস
Untitled Document

রোহিঙ্গা বসতিতে কক্সবাজারের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে : ইউএনডিপি

তারিখ: ২০১৮-০৯-১৯ ১২:১২:১২  |  ৩৭ বার পঠিত

0 people like this
Print Friendly and PDF
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

ঢাকা, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়স্থল তৈরি, রান্নার কাঠ সংগ্রহ এবং অন্যান্য সুবিধা দিতে গিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে ৪৩’শ একর পাহাড় ও বন কেটে ফেলা হয়েছে। এতে পরিবেশগত দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেশের তিনটি স্থানের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে যে ক্ষতি হচ্ছে তা কাটিয়ে উঠা সম্ভব হবে না।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) প্রকাশিত ‘রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কারণে পরিবেশগত প্রভাব’ বিষয়ক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সচিব আব্দুল্লাহ আল মহসীন চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক মোহাম্মদ শফিউল আলম চৌধুরী, ইউএনডিপি কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মূখার্জী, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মহসীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
কক্সবাজারে আগে থেকে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা, স্থানীয় অধিবাসী এবং গতবছরের আগস্ট থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মিলে এখন সেখানে ১৫ লাখ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বসবাস। এতে এই এলাকার পরিবেশ-প্রতিবেশের ওপর দারুণ নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হয়েছে। যার অনেকটাই এখনও আমরা উদঘাটন করতে পারেনি।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ইউএনডিপি ও ইউএন ওম্যান যৌথভাবে এই জরিপ পরিচালনা করেছে।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন,সরকার মূলত মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে আশ্রয় দিয়েছিল।কিন্তু ১১ লাখ রোহিঙ্গা সেখানে আশ্রয় নেওয়ায় এখন সেখানকার পাহাড়ী জমি নষ্ট হচ্ছে। গাছ কেটে ফেলার কারণে পাহাড় ও পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন। জীববৈচিত্র্য হুমকির মূখে। তিনি বলেন, অল্প জায়গায় অধিক মানুষ থাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং অগ্নি নিরাপত্তার অভাব দেখা দিয়েছে।
পরিবেশগত ক্ষতি রোধ করতে তিনি এই এলাকায় বনজ ও ফলজ গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গার যেসব এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে,সেখানকার স্থানীয়রাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য তিনি আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহকে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দের জীবনমান উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহবান জানান। (বাসস) :


এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

•কলাপাড়ায় স্লুইস সংস্কার ও রাস্তা মেরামতের দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন। •চোরাই মালমাল ও চুরির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামসহ চিহ্নিত চোর মনির আটক ॥ •শিবচরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৮ উদযাপন উপলক্ষ্যে মূল্যায়ন,পুরষ্কার বিতরন ও সমাপনী অনুষ্ঠান •আমতলীতে মানবাধিকার বিষয়ক ৩ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন •কলাপাড়ায় মাদক বিরোধী আলোচনা সভা •কালকিনির ভূরঘাটা মজিদবাড়ীতে অতিদরিদ্র ২১পরিবারের মাঝে ইঞ্জিনচালিত ভ্যান বিতরণ •স্বেচ্ছায় খালের স্থাপনা ভেঙ্গে নেয়ায় ২২ ভূমিহীনসহ ৩৫ পরিবারকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ
Untitled Document
  • সর্বশেষ সংবাদ
  • সবচেয়ে পঠিত
  • এক্সক্লুসিভ

Top
Untitled Document